Showing posts with label হাতি(Elephant). Show all posts
Showing posts with label হাতি(Elephant). Show all posts
হাতি
পোষা হাতির বন্ধুসুলভ আচরণ দেখে এমনটি ভাবার কারণ নেই যে, এরা তেমন ভয়ঙ্কর নয়। অনেক সময় পোষা হাতি তার মণিবকে মেরে ফেলে। বন্যহাতি সম্পর্কে তো আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এরা হঠাৎ আক্রমণ করে। এদের আকৃতিও স্বভাবের সঙ্গে মানানসই। বছরে প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০টি দুর্ঘটনা ঘটে বন্যহাতি দ্বারা ।
ভূচর প্রাণীদের মধ্যে হাতি সবচেয়ে বিশালদেহী হলেও এদের শান্তি নেই। কোনো হাতির বাচ্চা জন্ম নিলে চারপাশে লেগে থাকে সুযোগ সন্ধানী শত্রুরা। এর মধ্যে হায়েনা অন্যতম। তবে মা-হাতি তার শাবককে আগলে রাখার ব্যাপারে এতই সজাগ যে, কোনো ক্ষুধার্ত হায়েনা ধারে-কাছে এলে রুদ্রমূর্তি ধারণ করে সে। থামের মতো ভারী পা মাটিতে ঠুকে হায়েনাকে ভয় দেখায়। তখন একদিকে যেমন কলজে কাঁপানো গুমগুম শব্দের সৃষ্টি হয়, তেমনি ভূমিকম্পের মতো থরথর করে কাঁপতে থাকে মাটি। তখন লেজ গুটিয়ে পালানো ছাড়া পথ থাকে না হায়েনার। গবেষকরা বলছেন, শত্রুকে ভয় দেখানো ছাড়াও এভাবে পা ঠুকে অন্য হাতিদের কাছে বিপদ সংকেত পাঠায় মা-হাতি। বিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন 'সাইজমিক সিগনালিং', অর্থাৎ 'ভূকম্পন সংকেত'। এই সংকেত ২০ মাইল দূরের হাতির কাছেও গিয়ে পেঁৗছে। আর এই সংকেত হাতিরা পায়ের মাধ্যমে টের পায়। শব্দ তরঙ্গ পায়ের চেয়ে মাটির মাধ্যমে আরো অধিক দূরে পেঁৗছতে পারে। যখন ভূমিকম্পের মাধ্যমে দূরবর্তী কোনো হাতির কাছে এই সংকেত পেঁৗছে, ওই হাতি তখন স্থির হয়ে যায়। তারপর একপা তুলে বুঝে নেয় কম্পনের ভাবগতিক। পরিশেষে অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেয়।
হাতির দাঁত হলো গজদন্ত বা আইভরি। পুরুষ হাতিরই এই দাঁত জন্মায়। কোনো কোনো গজদন্ত প্রায় এক মিটারও দীর্ঘ হতে পারে। হাতির এই দাঁত থেকে নানা জিনিস, যেমন নানা মূর্তি, বিলিয়ার্ড বল ও অন্য অনেক কিছুই বানানো হয়।
সারা দুনিয়ায় এর চাহিদা ও দাম আকাশছোঁয়া। এই জনপ্রিয়তার জন্যেও বিশ্বে হাতি আজ বিপন্ন। এই কারণেই গজদন্ত ব্যবহার নিষিদ্ধ করার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে চোরা শিকারিদের জন্য।
বর্তমানে এদের বিচরণক্ষেত্র এক হাজার ৮০০ বর্গকিলোমিটারে নেমে এসেছে। মূলত চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও পার্বত্য চট্টগ্রামের নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় স্থানীয় হাতি দেখা যায়। বর্তমানে এরা অতি বিপন্ন (critically endangered)। সূত্রমতে, এ দেশে বুনো স্থানীয় হাতির সংখ্যা ১৯৬-২২৭টি, অনাবাসিক ৮৩-১০০টি ও পোষা প্রায় ১০০টি। হাতির বৈজ্ঞানিক নাম Elephus maximus. এরা ৬০-৯০ বছর বাঁচে, আবদ্ধ অবস্থায় ১০০ বছরও বাঁচতে পারে।
ভূচর প্রাণীদের মধ্যে হাতি সবচেয়ে বিশালদেহী হলেও এদের শান্তি নেই। কোনো হাতির বাচ্চা জন্ম নিলে চারপাশে লেগে থাকে সুযোগ সন্ধানী শত্রুরা। এর মধ্যে হায়েনা অন্যতম। তবে মা-হাতি তার শাবককে আগলে রাখার ব্যাপারে এতই সজাগ যে, কোনো ক্ষুধার্ত হায়েনা ধারে-কাছে এলে রুদ্রমূর্তি ধারণ করে সে। থামের মতো ভারী পা মাটিতে ঠুকে হায়েনাকে ভয় দেখায়। তখন একদিকে যেমন কলজে কাঁপানো গুমগুম শব্দের সৃষ্টি হয়, তেমনি ভূমিকম্পের মতো থরথর করে কাঁপতে থাকে মাটি। তখন লেজ গুটিয়ে পালানো ছাড়া পথ থাকে না হায়েনার। গবেষকরা বলছেন, শত্রুকে ভয় দেখানো ছাড়াও এভাবে পা ঠুকে অন্য হাতিদের কাছে বিপদ সংকেত পাঠায় মা-হাতি। বিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন 'সাইজমিক সিগনালিং', অর্থাৎ 'ভূকম্পন সংকেত'। এই সংকেত ২০ মাইল দূরের হাতির কাছেও গিয়ে পেঁৗছে। আর এই সংকেত হাতিরা পায়ের মাধ্যমে টের পায়। শব্দ তরঙ্গ পায়ের চেয়ে মাটির মাধ্যমে আরো অধিক দূরে পেঁৗছতে পারে। যখন ভূমিকম্পের মাধ্যমে দূরবর্তী কোনো হাতির কাছে এই সংকেত পেঁৗছে, ওই হাতি তখন স্থির হয়ে যায়। তারপর একপা তুলে বুঝে নেয় কম্পনের ভাবগতিক। পরিশেষে অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেয়।
হাতির দাঁত হলো গজদন্ত বা আইভরি। পুরুষ হাতিরই এই দাঁত জন্মায়। কোনো কোনো গজদন্ত প্রায় এক মিটারও দীর্ঘ হতে পারে। হাতির এই দাঁত থেকে নানা জিনিস, যেমন নানা মূর্তি, বিলিয়ার্ড বল ও অন্য অনেক কিছুই বানানো হয়।
সারা দুনিয়ায় এর চাহিদা ও দাম আকাশছোঁয়া। এই জনপ্রিয়তার জন্যেও বিশ্বে হাতি আজ বিপন্ন। এই কারণেই গজদন্ত ব্যবহার নিষিদ্ধ করার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে চোরা শিকারিদের জন্য।
বর্তমানে এদের বিচরণক্ষেত্র এক হাজার ৮০০ বর্গকিলোমিটারে নেমে এসেছে। মূলত চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও পার্বত্য চট্টগ্রামের নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় স্থানীয় হাতি দেখা যায়। বর্তমানে এরা অতি বিপন্ন (critically endangered)। সূত্রমতে, এ দেশে বুনো স্থানীয় হাতির সংখ্যা ১৯৬-২২৭টি, অনাবাসিক ৮৩-১০০টি ও পোষা প্রায় ১০০টি। হাতির বৈজ্ঞানিক নাম Elephus maximus. এরা ৬০-৯০ বছর বাঁচে, আবদ্ধ অবস্থায় ১০০ বছরও বাঁচতে পারে।
9:36 AM
হাতি(Elephant)
ম্যামথ
লোমশ হাতি বা ম্যামথের অস্তিত্ব এখন আর পৃথিবীতে নেই। এই প্রাণীটিকে হাতির আদিরুপ মনে করা হয়। খ্রিস্ট জন্মের মোটামুটি পাঁচ থেকে দশ হাজার বছর আগে এরা বিলুপ্ত হয়ে গেছে। এক সময় উত্তর আমেরিকা ও ইউরেশিয়ার উত্তরাংশ এবং সাইবেরিয়ার তুন্দ্রা অঞ্চল দাপিয়ে বেড়াত এই বিশাল প্রাণীটি। এটি আকারে হাতির চেয়ে বড় ছিল। এর দাত ছিল বিশাল। শূন্য ডিগ্রি তাপমাত্রায়ও টিকে থাকার ক্ষমতা ছিল এদের। শূন্য ডিগ্রি তাপমাত্রায় কীভাবে অতিকায় এই প্রাণীটি টিকে থাকত, এতদিন ধরে এটা একটা প্রশ্ন হয়েই ঝুলেছিল বিজ্ঞানীদের সামনে। সম্প্রতি তারা এই প্রশ্নের জবাব খুঁজে পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন। সূত্র বিবিসি।
তারা বলেছেন, ম্যামথের রক্তে এমন একটি এন্টি-ফ্রিজিং বা ঠাণ্ডানিরোধী উপাদান ছিল, যা তাদের শূন্য ডিগ্রিরও নিচের তাপমাত্রার প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় টিকে থাকতে সহায়তা করত। ‘নেচার জেনেটিকস’ নামের একটি সাময়িকীতে তারা লিখেছেন, ওটা ছিল এক ধরনের ব্লাড প্রোটিন, লাল রক্তকণিকা—যাকে বলা যায় হিমোগেম্লাবিন। এই হিমোগ্লোবিনই তাদের রক্তে অক্সিজেন বহন করত। এটা ছিল তাদের জিনে বয়ে নিয়ে আসা অভিযোজন বৈশিষ্ট্য। এই বৈশিষ্ট্যের কারণেই তারা শূন্য ডিগ্রি তাপমাত্রায় টিকে থাকতে পারত। হিমোগ্লোবিন তাদের শরীরের ভিতরের তাপমাত্রাকে সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সাহায্য করত।
অতিরিক্ত ঠাণ্ডা সাধারণত রক্তনালীতে হিমোগ্লোবিনের অক্সিজেন সরবরাহে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
বিজ্ঞানীরা সাইবেরিয়ার ভূগর্ভস্থ চির হিমায়িত অঞ্চলে সংরক্ষিত তিনটি ম্যামথের ফসিল থেকে ডিএনএ সংগ্রহ করেন। তারপর ওগুলো থেকে হিমোগ্লোবিন জিনগুলো বিন্যস্ত করেন। পরে আরএনএ বের করা হয়। আরএনএ থেকে ওগুলোকে সন্নিবেশিত করা হয় ই-কোলি নামের ব্যাকটেরিয়ায়। আর এই ব্যাকটেরিয়াগুলোই সার্থকভাবে তৈরি করে ম্যামথের রক্তের প্রোটিন বা হিমোগ্লোবিন।
এরপর বিজ্ঞানীরা ম্যামথের রিভাইভড বা ‘পুনরুজ্জীবিত প্রোটিনগুলো পরীক্ষা করেন এবং তাতে হিমোগ্লোবিনের তিনটি স্বতন্ত্র পরিবর্তন আবিষ্কার করেন, যা ম্যামথের রক্তে অক্সিজেন সঞ্চালিত করে প্রাণীটিকে চরম ঠাণ্ডায়ও স্বচ্ছন্দে টিকে থাকার শক্তি জোগাত।
গবেষক দলের প্রধান ইউনিভার্সিটি অব অ্যাডিলেডের অস্ট্রেলিয়ান সেন্টার ফর অ্যানসিয়েন্ট ডিএনএ-র প্রফেসর অ্যালান কুপার বলেন, ‘একটি বিলুপ্ত প্রজাতির ডিএনএ পুনরুজ্জীবিত করার কাজটা অত্যন্ত জটিল ব্যাপার। তবে আমরা কাজটা করতে পেরেছি।’এই প্রাণী ছিল শাকাসী।
তারা বলেছেন, ম্যামথের রক্তে এমন একটি এন্টি-ফ্রিজিং বা ঠাণ্ডানিরোধী উপাদান ছিল, যা তাদের শূন্য ডিগ্রিরও নিচের তাপমাত্রার প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় টিকে থাকতে সহায়তা করত। ‘নেচার জেনেটিকস’ নামের একটি সাময়িকীতে তারা লিখেছেন, ওটা ছিল এক ধরনের ব্লাড প্রোটিন, লাল রক্তকণিকা—যাকে বলা যায় হিমোগেম্লাবিন। এই হিমোগ্লোবিনই তাদের রক্তে অক্সিজেন বহন করত। এটা ছিল তাদের জিনে বয়ে নিয়ে আসা অভিযোজন বৈশিষ্ট্য। এই বৈশিষ্ট্যের কারণেই তারা শূন্য ডিগ্রি তাপমাত্রায় টিকে থাকতে পারত। হিমোগ্লোবিন তাদের শরীরের ভিতরের তাপমাত্রাকে সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সাহায্য করত।
অতিরিক্ত ঠাণ্ডা সাধারণত রক্তনালীতে হিমোগ্লোবিনের অক্সিজেন সরবরাহে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
বিজ্ঞানীরা সাইবেরিয়ার ভূগর্ভস্থ চির হিমায়িত অঞ্চলে সংরক্ষিত তিনটি ম্যামথের ফসিল থেকে ডিএনএ সংগ্রহ করেন। তারপর ওগুলো থেকে হিমোগ্লোবিন জিনগুলো বিন্যস্ত করেন। পরে আরএনএ বের করা হয়। আরএনএ থেকে ওগুলোকে সন্নিবেশিত করা হয় ই-কোলি নামের ব্যাকটেরিয়ায়। আর এই ব্যাকটেরিয়াগুলোই সার্থকভাবে তৈরি করে ম্যামথের রক্তের প্রোটিন বা হিমোগ্লোবিন।
এরপর বিজ্ঞানীরা ম্যামথের রিভাইভড বা ‘পুনরুজ্জীবিত প্রোটিনগুলো পরীক্ষা করেন এবং তাতে হিমোগ্লোবিনের তিনটি স্বতন্ত্র পরিবর্তন আবিষ্কার করেন, যা ম্যামথের রক্তে অক্সিজেন সঞ্চালিত করে প্রাণীটিকে চরম ঠাণ্ডায়ও স্বচ্ছন্দে টিকে থাকার শক্তি জোগাত।
গবেষক দলের প্রধান ইউনিভার্সিটি অব অ্যাডিলেডের অস্ট্রেলিয়ান সেন্টার ফর অ্যানসিয়েন্ট ডিএনএ-র প্রফেসর অ্যালান কুপার বলেন, ‘একটি বিলুপ্ত প্রজাতির ডিএনএ পুনরুজ্জীবিত করার কাজটা অত্যন্ত জটিল ব্যাপার। তবে আমরা কাজটা করতে পেরেছি।’এই প্রাণী ছিল শাকাসী।
3:22 PM
হাতি(Elephant)
Subscribe to:
Posts
(
Atom
)






