Showing posts with label ব্যাঙ(Frog). Show all posts
Showing posts with label ব্যাঙ(Frog). Show all posts
গ্লাস ফ্রগ
একটি
প্রাণীর শরীরের সব কিছু বাহির থেকে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। তার শরীরের ভিতরের
সব অঙ্গ প্রতঙ্গ এমনকি সে কি খেয়েছে সব খাবার। তার হৃদপিণ্ড যে পাম্প
করছে সেই হৃতপিণ্ডের প্রতিটি কম্পন বাহির থেকে দেখা যাচ্ছে তখন ব্যাপারটা
কেমন হয় বলুনতো? এমনই এক অদ্ভুদ ব্যাঙ পাওয়া আমাজান জঙ্গলে যাকে কাঁচ
ব্যাঙ বা গ্লাস ফ্রগ বলা হয়।
এই ব্যাঙের পেটের দিকের চামরা খুবই স্বচ্ছ হয়ে থাকে। এরা আমাদের দেশের গেছো ব্যাঙ এর মতো এবং এরা খুব ছোট হয়ে থাকে মাত্র এক থেকে তিন ইঞ্চি।
মাইন রানা
এই ব্যাঙের পেটের দিকের চামরা খুবই স্বচ্ছ হয়ে থাকে। এরা আমাদের দেশের গেছো ব্যাঙ এর মতো এবং এরা খুব ছোট হয়ে থাকে মাত্র এক থেকে তিন ইঞ্চি।
মাইন রানা
10:44 AM
ব্যাঙ(Frog)
টমেটো ব্যাঙ
দেখতে টমেটোর মত লাল বলেই এর নাম দেওয়া হয়েছে টমেটো ব্যাঙ। লাল রঙ এর
কারণে এরা দেখতে সুন্দর হলেও এটা আসলে লাল ফ্লাগ এর বিপদ সংকেত এর মত। এই
লাল রঙ দিয়ে বুজায় আমি বিষাক্ত আমা ধারে কাছে এসো না। এদের বিষ মানুষ না
মারলে ও এলার্জির মত অবস্থা সৃষ্টি হয়। এই ব্যাঙ পাওয়া যায়
মাদাগাস্কারে।
এদের শ্রেণীবিন্যাস
...
Kingdom: Animalia
Phylum: Chordata
Class: Amphibia
Order: Anura
Family: Microhylidae
Genus: Dyscophus
এরা ৬-৮ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকে এবং মাত্র ৯-১৪ মাস বয়সেই এরা যৌন প্রজননক্ষম হয়ে থাকে।
মাইন রানা
Phylum: Chordata
Class: Amphibia
Order: Anura
Family: Microhylidae
Genus: Dyscophus
এরা ৬-৮ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকে এবং মাত্র ৯-১৪ মাস বয়সেই এরা যৌন প্রজননক্ষম হয়ে থাকে।
মাইন রানা
10:41 AM
ব্যাঙ(Frog)
পিনোক্কিও ব্যাঙ
ফোজা পাহাড়ে স্থাপন করা তাঁবুর রান্নাঘরে পিনোক্কিও ব্যাঙটি প্রথমবারের
মতো চোখে পড়ে গবেষকদের। অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব অ্যাডেলেইডের সরীসৃপ
বিদ্যার গবেষক পল অলিভারই শুঁড় আকৃতির নাকবিশিষ্ট এই ব্যাঙটিকে সর্বপ্রথম
খেয়াল করেন। তিনি আরও ধারণা করেন যে, এগুলো গেছো ব্যাঙ। যখন পুরুষ ব্যাঙটি
ডাকে তখন এর শুঁড় আকৃতির নাকটি ওপরের দিকে খাড়া করে নেয়, কিন্তু অন্য সময়
নাকটা ঝোলানো থাকে। ব্যাঙটির এ ধরনের কাজের সঠিক ব্যাখ্যা এখন পর্যন্ত কোনো
বিজ্ঞানী দিতে পারেননি।
5:46 AM
ব্যাঙ(Frog)
ফেজারভারিয়া আসমতি
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাজিদ আলী হাওলাদার বিরল প্রজাতির এক ব্যাঙ আবিষ্কার করেছেন। তার এই আবিষ্কার বাংলাদেশের প্রাণিবিদ্যা চর্চার ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে এবং প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে নতুন কোনো প্রাণী আবিষ্কারের রেকর্ড করেন। শুধু তাই নয়, তার এই আবিষ্কারের কথা বিশ্বের বিখ্যাত বন্যপ্রাণী বিষয়ক জার্নাল জুট্যাক্সাতে প্রকাশিত হয়েছে।
শুরুর কথা
সাজিদ ২০০৪ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগে ভর্তি হন। এরপর থেকেই ব্যাঙ, পাখি নিয়ে তার গবেষণা শুরু হয়। তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে দীর্ঘদিন ধরে ব্যঙের জীবন প্রণালি ও বংশবৃদ্ধি নিয়ে বিস্তারিত গবেষণা চালান।
ব্যাঙ নিয়ে গবেষণা
ব্যাঙ নিয়ে গবেষণা করার জন্য তিনি ব্যাঙের হটস্পট খুঁজতে থাকেন। এ সময় তিনি ব্যাঙের বংশবৃদ্ধির জন্য হটস্পট হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কাটাপাহাড় রাস্তার দু'পাশ থেকে বিভিন্ন ব্যাঙের নমুনা সংগ্রহ করতে থাকেন। এরমধ্যে ২০০৮ সালে একদিন পেয়ে যান বিরল প্রজাতির একটি ব্যাঙ। সেসময় তিনি ব্যাঙটিকে তার ব্যক্তিগত সংরক্ষণাগারে নিয়ে যান। আর এরপর থেকেই তিনি এটির প্রজাতি ও প্রকৃতি উদ্ধারের কাজে লেগে যান। কিন্তু সারা বিশ্বে এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত ও তালিকাভুক্ত সাড়ে ছয়শ' প্রজাতির মধ্যেও এ ব্যাঙের অস্তিত্ব খুঁজে পাননি তিনি। তারপর শুরু হয় অন্য ধরনের গবেষণা।
এ ব্যাঙের ব্যতিক্রমী ডাক ও বৈশিষ্ট্য বের করতে তিনি যোগাযোগ করেন বিশ্বের সেরা সব প্রাণিবিজ্ঞানীদের সঙ্গে। পতর্ুগাল, ইটালি, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, জাপানসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীদের সহযোগিতায় ব্যাঙের ডাকের সাউন্ড অ্যানালাইসিস এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্য পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে নিশ্চিত হন যে, এ ধরনের ব্যাঙের অস্তিত্ব একমাত্র বাংলাদেশেই পাওয়া গেছে। পরবর্তীতে তিনি বিশ্বের সেরা প্রাণিবিজ্ঞানীদের সম্পাদনায় প্রকাশিত বন্যপ্রাণীর শ্রেণীবিন্যাসের কাজে নিয়োজিত জার্নাল জুট্যাক্সাতে এ বিষয়ে একটি প্রবন্ধ পাঠান। ওই সংবাদপত্র কতর্ৃপক্ষ তার আবিষ্কারের সত্যাসত্য যাচাইয়ের পর চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি প্রবন্ধটি গ্রহণ করেন। এরপর গত ৯ ফেব্রুয়ারি জুট্যাক্সা'র ২৭৬১ ভলিউমে এটি প্রকাশিত হয়।
ব্যাঙটির নামকরণ
সাজিদ তার আবিষ্কৃত ব্যাঙের নাম দিয়েছেন 'ফেজারভারিয়া আসমতি'। উলেস্নখ্য, তিনি এই নামটি দিয়েছেন প্রাণিবিদ্যার বিভাগের প্রফেসর আসমতের নামানুসারে।
সাফল্য
সাজিদ বিরল প্রজাতির এই ব্যাঙটি আবিষ্কার করে পরিণত করে হয়েছেন বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ প্রাণী আবিষ্কারক হিসেবে। বাংলাদেশে প্রাপ্ত বা কেনো বাংলাদেশির উভয়চর, সরীসৃপ বা স্তন্যপায়ী প্রাণী আবিষ্কারের ঘটনা এটিই প্রথম। তাছাড়া কোনো সহায়তা ছাড়া একক ব্যক্তি কতর্ৃক প্রাণী আবিষ্কার ও আন্তর্জাতিক সংবাদপত্রে লেখা প্রকাশেরও এটি প্রথম ঘটনা। আমেরিকান মিউজিয়াম অব ন্যাচারাল হিস্ট্রি'র কিউরেটর ড. ড্যারেল ফ্রস্ট ও ড. জন এস অ্যাপলেগার্থ সাজিদের কৃতিত্বের জন্য তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
Source: Ittefaq
শুরুর কথা
সাজিদ ২০০৪ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগে ভর্তি হন। এরপর থেকেই ব্যাঙ, পাখি নিয়ে তার গবেষণা শুরু হয়। তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে দীর্ঘদিন ধরে ব্যঙের জীবন প্রণালি ও বংশবৃদ্ধি নিয়ে বিস্তারিত গবেষণা চালান।
ব্যাঙ নিয়ে গবেষণা
ব্যাঙ নিয়ে গবেষণা করার জন্য তিনি ব্যাঙের হটস্পট খুঁজতে থাকেন। এ সময় তিনি ব্যাঙের বংশবৃদ্ধির জন্য হটস্পট হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কাটাপাহাড় রাস্তার দু'পাশ থেকে বিভিন্ন ব্যাঙের নমুনা সংগ্রহ করতে থাকেন। এরমধ্যে ২০০৮ সালে একদিন পেয়ে যান বিরল প্রজাতির একটি ব্যাঙ। সেসময় তিনি ব্যাঙটিকে তার ব্যক্তিগত সংরক্ষণাগারে নিয়ে যান। আর এরপর থেকেই তিনি এটির প্রজাতি ও প্রকৃতি উদ্ধারের কাজে লেগে যান। কিন্তু সারা বিশ্বে এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত ও তালিকাভুক্ত সাড়ে ছয়শ' প্রজাতির মধ্যেও এ ব্যাঙের অস্তিত্ব খুঁজে পাননি তিনি। তারপর শুরু হয় অন্য ধরনের গবেষণা।
এ ব্যাঙের ব্যতিক্রমী ডাক ও বৈশিষ্ট্য বের করতে তিনি যোগাযোগ করেন বিশ্বের সেরা সব প্রাণিবিজ্ঞানীদের সঙ্গে। পতর্ুগাল, ইটালি, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, জাপানসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীদের সহযোগিতায় ব্যাঙের ডাকের সাউন্ড অ্যানালাইসিস এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্য পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে নিশ্চিত হন যে, এ ধরনের ব্যাঙের অস্তিত্ব একমাত্র বাংলাদেশেই পাওয়া গেছে। পরবর্তীতে তিনি বিশ্বের সেরা প্রাণিবিজ্ঞানীদের সম্পাদনায় প্রকাশিত বন্যপ্রাণীর শ্রেণীবিন্যাসের কাজে নিয়োজিত জার্নাল জুট্যাক্সাতে এ বিষয়ে একটি প্রবন্ধ পাঠান। ওই সংবাদপত্র কতর্ৃপক্ষ তার আবিষ্কারের সত্যাসত্য যাচাইয়ের পর চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি প্রবন্ধটি গ্রহণ করেন। এরপর গত ৯ ফেব্রুয়ারি জুট্যাক্সা'র ২৭৬১ ভলিউমে এটি প্রকাশিত হয়।
ব্যাঙটির নামকরণ
সাজিদ তার আবিষ্কৃত ব্যাঙের নাম দিয়েছেন 'ফেজারভারিয়া আসমতি'। উলেস্নখ্য, তিনি এই নামটি দিয়েছেন প্রাণিবিদ্যার বিভাগের প্রফেসর আসমতের নামানুসারে।
সাফল্য
সাজিদ বিরল প্রজাতির এই ব্যাঙটি আবিষ্কার করে পরিণত করে হয়েছেন বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ প্রাণী আবিষ্কারক হিসেবে। বাংলাদেশে প্রাপ্ত বা কেনো বাংলাদেশির উভয়চর, সরীসৃপ বা স্তন্যপায়ী প্রাণী আবিষ্কারের ঘটনা এটিই প্রথম। তাছাড়া কোনো সহায়তা ছাড়া একক ব্যক্তি কতর্ৃক প্রাণী আবিষ্কার ও আন্তর্জাতিক সংবাদপত্রে লেখা প্রকাশেরও এটি প্রথম ঘটনা। আমেরিকান মিউজিয়াম অব ন্যাচারাল হিস্ট্রি'র কিউরেটর ড. ড্যারেল ফ্রস্ট ও ড. জন এস অ্যাপলেগার্থ সাজিদের কৃতিত্বের জন্য তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
Source: Ittefaq
5:18 AM
ব্যাঙ(Frog)
বিষাক্ত ব্যাঙ
ব্যাঙকে সাধারণত নিরীহ উভচর প্রাণী হিসেবে বিবেচনা করা হলেও এসব নিরীহ ব্যাঙের মাঝে এমন কিছু প্রজাতির ব্যাঙ আছে যেগুলো অত্যন্ত ভয়ঙ্কর ও বিষাক্ত। এসব প্রজাতির ব্যাঙের কাছ থেকে সব সময়ই সাবধান হয়ে থাকে অন্যান্য পশু-পাখি। এসব বিষাক্ত ব্যাঙের শরীর থেকে এক ধরনের উজ্জ্বল আলো বের হয়, যা নিয়ন বাতির মতো। সেই আলো দেখেই সতর্ক হয়ে যায় অন্যান্য জীবজন্তু।
এসব বিষাক্ত ব্যাঙের মধ্যে পশ্চিম কলম্বিয়ায় নিম্নভূমিতে দেখতে পাওয়া যায় হলুদ রঙের ফিলোবেটস টেরিবিলস। এসব ব্যাঙের কোনো কোনোটির আকার বিশাল আবার কোনোটি দু-থেকে তিন ইঞ্চি। এরা মাঝে মাঝে বিষাক্ত বিষ ছুঁড়ে বিশাল আকৃতির প্রাণীদের হত্যা করে। এই প্রজাতির ব্যাঙের বিষ যেকোনো মরফিন হতে প্রায় ২০০ গুণ বেশি শক্তিশালী।
ইকুয়েডরের জঙ্গলে দেখা যায় বিষাক্ত ব্যাঙের অপর একটি প্রজাতি। এদের নাম_ এপি পেজেবেটস ট্রাইকালার। এসব ব্যাঙের সারা গায়ে আঁকা থাকে বিচিত্র ধরনের ও রঙের নকশা। এসব ব্যাঙের বিষ শিকারিরা শিকারে ব্যবহার করে। এদের শরীর থেকে বিষ সংগ্রহ করে তীরের ফলায় মাখিয়ে শিকারিরা খরগোশ, কাঠবিড়ালী প্রজাতির খুদে জীবজন্তু শিকার করে। এছাড়াও এই ব্যাঙের বিষ জীবজন্তুকে অচেতন করতেও ব্যবহার করা হয়।
বিষাক্ত ব্যাঙের অন্য একটি প্রজাতি ড্রেনডাবেটস আরাটাস। এদের দেখা যায় মধ্য ও উত্তর-দক্ষিণ আমেরিকায়। এই ব্যাঙের বিষ দ্বারা বর্তমানে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ওষুধ তৈরি করা হয়, যা দিয়ে অনেক জটিল রোগ নিরাময় করা সম্ভব।
পপি ফুল থেকে তৈরি পেইনকিলারে যাদের ব্যথা উপশম হয় না, তাদের এই ব্যাঙের বিষ থেকে তৈরি ইনজেকশন বা ট্যাবলেট প্রয়োগে ভালো ফল পাওয়া যায়। শুধু তাই নয়, এই ব্যাঙের বিষে তৈরি ওষুধ হার্টের অ্যাটেভেররো রোগীদের জন্য ফলপ্রসূ।
এমনিভাবে পৃথিবীর নানা জায়গায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে অসংখ্য বিষাক্ত প্রজাতির ব্যাঙ, যারা তাদের বিষ দিয়ে করে যাচ্ছে মানব জাতির উপকার। কিন্তু অপরিকল্পিতভাবে নিধনের কারণে হারিয়ে গেছে এদের বেশ কিছু প্রজাতি। তাই দ্রুত এদের সংরক্ষণের কোনো ব্যবস্থা না নিলে হয়তো অদূর ভবিষ্যতে হারিয়ে যাবে এসব উপকারী ব্যাঙ।
এসব বিষাক্ত ব্যাঙের মধ্যে পশ্চিম কলম্বিয়ায় নিম্নভূমিতে দেখতে পাওয়া যায় হলুদ রঙের ফিলোবেটস টেরিবিলস। এসব ব্যাঙের কোনো কোনোটির আকার বিশাল আবার কোনোটি দু-থেকে তিন ইঞ্চি। এরা মাঝে মাঝে বিষাক্ত বিষ ছুঁড়ে বিশাল আকৃতির প্রাণীদের হত্যা করে। এই প্রজাতির ব্যাঙের বিষ যেকোনো মরফিন হতে প্রায় ২০০ গুণ বেশি শক্তিশালী।
ইকুয়েডরের জঙ্গলে দেখা যায় বিষাক্ত ব্যাঙের অপর একটি প্রজাতি। এদের নাম_ এপি পেজেবেটস ট্রাইকালার। এসব ব্যাঙের সারা গায়ে আঁকা থাকে বিচিত্র ধরনের ও রঙের নকশা। এসব ব্যাঙের বিষ শিকারিরা শিকারে ব্যবহার করে। এদের শরীর থেকে বিষ সংগ্রহ করে তীরের ফলায় মাখিয়ে শিকারিরা খরগোশ, কাঠবিড়ালী প্রজাতির খুদে জীবজন্তু শিকার করে। এছাড়াও এই ব্যাঙের বিষ জীবজন্তুকে অচেতন করতেও ব্যবহার করা হয়।
বিষাক্ত ব্যাঙের অন্য একটি প্রজাতি ড্রেনডাবেটস আরাটাস। এদের দেখা যায় মধ্য ও উত্তর-দক্ষিণ আমেরিকায়। এই ব্যাঙের বিষ দ্বারা বর্তমানে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ওষুধ তৈরি করা হয়, যা দিয়ে অনেক জটিল রোগ নিরাময় করা সম্ভব।
পপি ফুল থেকে তৈরি পেইনকিলারে যাদের ব্যথা উপশম হয় না, তাদের এই ব্যাঙের বিষ থেকে তৈরি ইনজেকশন বা ট্যাবলেট প্রয়োগে ভালো ফল পাওয়া যায়। শুধু তাই নয়, এই ব্যাঙের বিষে তৈরি ওষুধ হার্টের অ্যাটেভেররো রোগীদের জন্য ফলপ্রসূ।
এমনিভাবে পৃথিবীর নানা জায়গায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে অসংখ্য বিষাক্ত প্রজাতির ব্যাঙ, যারা তাদের বিষ দিয়ে করে যাচ্ছে মানব জাতির উপকার। কিন্তু অপরিকল্পিতভাবে নিধনের কারণে হারিয়ে গেছে এদের বেশ কিছু প্রজাতি। তাই দ্রুত এদের সংরক্ষণের কোনো ব্যবস্থা না নিলে হয়তো অদূর ভবিষ্যতে হারিয়ে যাবে এসব উপকারী ব্যাঙ।
phantasmal poison frog
মধ্য এবং দক্ষিন আমেরিকার রেইন ফরেষ্ট গুলোতে সুন্দর ও বিভিন্ন রঙের এই ব্যাঙ দেখতে পাওয়া যায়। পৃথিবীর বিষাক্ত প্রাণিদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে দুই ইঞ্চি (৫সেমি) লম্বা এই জাতীয় লাল ব্যাঙ, যার বিষ ১০ জন পূর্ণ বয়স্ক মানুষ অথবা ২০,০০০ ইঁদুরকে মারতে সক্ষম। মাত্র ২ মাইক্রোগ্রাম প্রাণঘাতী বিষ একজন মানুষ বা বৃহৎ কোন স্তন্যপায়ী প্রানির মৃত্যুর জন্য যথেষ্ট। এরা ণীলচে, হলুদ রঙেরও হয়ে থাকে।Dendrobates azureus (top) and Dendrobates leucomelas
এদের ইংরেজীতে বলে Poison dart frog, dart-poison frog, poison frog বা poison arrow frog।
6:31 AM
ব্যাঙ(Frog)
ইসথমহায়লা রিভুলারিস
বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন ও বনভূমি উজাড় হওয়ায় দিন দিন নানা বন্যপ্রাণী ইতিমধ্যে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। বিপন্ন অবস্থায় পৌঁছে গেছে হাজার হাজার প্রাণী যা প্রাণিবিজ্ঞানী ও সংরক্ষণবাদীদের রীতিমতো ভাবিয়ে তুলেছে। বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে হয়তো অদূর ভবিষ্যতে আরো বহুপ্রাণীই বিলুপ্ত হয়ে যাবে। তবে এরই মধ্যে একদল বিজ্ঞানী শুনিয়েছেন আশার কথা। তারা জানিয়েছেন, ২০ বছর ধরে অনুসন্ধানের পর তারা এই প্রথম কোস্টারিকার একটি সংরক্ষিত বনাঞ্চলে বিরল প্রজাতির একটি স্ত্রী ব্যাঙ দেখতে পেয়েছেন। আজ থেকে দুই দশক আগে ধারণা করা হয়েছিল এ জাতীয় গেছো ব্যাঙ বিলুপ্ত হয়ে গেছে।
ইউনিভার্সিটি অব ম্যানচেস্টার-এর একদল গবেষক গত বছর একই বনে ‘ইসথমহায়লা রিভুলারিস’ বৈজ্ঞানিক নামের একটি পুরুষ গেছো ব্যাঙ দেখতে পান। তখন তারা স্ত্রী জাতীয় এক প্রজাতির ব্যাঙের জন্য পুরো অঞ্চল চষে বেড়ালেও তার দেখা পাননি। সম্প্রতি এক রাতে গবেষকদল ফের বন-বাদাড়ে অনুসন্ধান চালালে আড়াই সেন্টিমিটার (১ ইঞ্চি) লম্বা এবং বাদামি ও হালকা সবুজের মিশ্রণে রঙিন ক্ষুদ্র একটি স্ত্রী গেছো ব্যাঙ দেখতে পান।
গবেষকদলের প্রধান ইউনিভার্সিটি অব ম্যানচেস্টার-এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান ম্যানেচেস্টার মিউজিয়াম-এর প্রাণী বিশেষজ্ঞ আন্দ্রে গ্রে বলেন, ঘটনাটি তার পেশাগত জীবনের একটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায়। তার মতে, একই প্রজাতির স্ত্রী ও পুরুষ জাতীয় ব্যাঙের সন্ধান পাওয়ায় প্রজননের মাধ্যমে এ জাতীয় ব্যাঙের বংশ বিস্তার সম্ভব হবে। একই সঙ্গে জানা যাবে কোন ধরনের প্রতিবেশ এ ধরনের ব্যাঙ পছন্দ করে। এদের সংখ্যা কমে যাবার কারণও পরিষ্কার হয়ে যাবে নিবিড় গবেষণার মাধ্যমে। গবেষকদের ভাষায়, ক্ষুদ্রাকৃতির এ জাতীয় স্ত্রী ব্যাঙের সন্ধান পাওয়া খুবই কঠিন। কারণ পুরুষ ব্যাঙ মাঝে-মধ্যে স্বভাবজাত শব্দ করে ডাকাডাকি করলেও স্ত্রী ব্যাঙ অধিকাংশ সময় থাকে নীরব। তাছাড়া দিনের বেলায় এ জাতীয় ব্যাঙ গাছের কোটরে কিংবা পাতার ফাঁকে লুকিয়ে থাকে। কেবল অপেক্ষাকৃত আরো ক্ষুদ্রাকৃতির পোকা-মাকড় আহারের আশায় রাতের বেলায় বের হয়। তাই এদের দেখা মেলেও কেবল রাতেই। আন্দ্রে গ্রে বলেন, গত বছর পুরুষ ব্যাঙ পেলেও স্ত্রী ব্যাঙের সন্ধান পাবো এটা ছিল কল্পনাতীত। এবার স্ত্রী ব্যাঙের সন্ধান পাওয়ায় এ প্রজাতির প্রজননের ব্যবস্থা করা যাবে। হয়তো অল্প কিছুদিনের ব্যবধানে এ প্রজাতির ব্যাঙের সংখ্যা বেড়ে যাবে। তাছাড়া বিরুদ্ধে পরিবেশ সনাক্ত করা গেলে ভবিষ্যৎ কর্ম পরিকল্পনাও প্রণয়ন করা সহজ হবে।
ইউনিভার্সিটি অব ম্যানচেস্টার-এর একদল গবেষক গত বছর একই বনে ‘ইসথমহায়লা রিভুলারিস’ বৈজ্ঞানিক নামের একটি পুরুষ গেছো ব্যাঙ দেখতে পান। তখন তারা স্ত্রী জাতীয় এক প্রজাতির ব্যাঙের জন্য পুরো অঞ্চল চষে বেড়ালেও তার দেখা পাননি। সম্প্রতি এক রাতে গবেষকদল ফের বন-বাদাড়ে অনুসন্ধান চালালে আড়াই সেন্টিমিটার (১ ইঞ্চি) লম্বা এবং বাদামি ও হালকা সবুজের মিশ্রণে রঙিন ক্ষুদ্র একটি স্ত্রী গেছো ব্যাঙ দেখতে পান।
গবেষকদলের প্রধান ইউনিভার্সিটি অব ম্যানচেস্টার-এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান ম্যানেচেস্টার মিউজিয়াম-এর প্রাণী বিশেষজ্ঞ আন্দ্রে গ্রে বলেন, ঘটনাটি তার পেশাগত জীবনের একটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায়। তার মতে, একই প্রজাতির স্ত্রী ও পুরুষ জাতীয় ব্যাঙের সন্ধান পাওয়ায় প্রজননের মাধ্যমে এ জাতীয় ব্যাঙের বংশ বিস্তার সম্ভব হবে। একই সঙ্গে জানা যাবে কোন ধরনের প্রতিবেশ এ ধরনের ব্যাঙ পছন্দ করে। এদের সংখ্যা কমে যাবার কারণও পরিষ্কার হয়ে যাবে নিবিড় গবেষণার মাধ্যমে। গবেষকদের ভাষায়, ক্ষুদ্রাকৃতির এ জাতীয় স্ত্রী ব্যাঙের সন্ধান পাওয়া খুবই কঠিন। কারণ পুরুষ ব্যাঙ মাঝে-মধ্যে স্বভাবজাত শব্দ করে ডাকাডাকি করলেও স্ত্রী ব্যাঙ অধিকাংশ সময় থাকে নীরব। তাছাড়া দিনের বেলায় এ জাতীয় ব্যাঙ গাছের কোটরে কিংবা পাতার ফাঁকে লুকিয়ে থাকে। কেবল অপেক্ষাকৃত আরো ক্ষুদ্রাকৃতির পোকা-মাকড় আহারের আশায় রাতের বেলায় বের হয়। তাই এদের দেখা মেলেও কেবল রাতেই। আন্দ্রে গ্রে বলেন, গত বছর পুরুষ ব্যাঙ পেলেও স্ত্রী ব্যাঙের সন্ধান পাবো এটা ছিল কল্পনাতীত। এবার স্ত্রী ব্যাঙের সন্ধান পাওয়ায় এ প্রজাতির প্রজননের ব্যবস্থা করা যাবে। হয়তো অল্প কিছুদিনের ব্যবধানে এ প্রজাতির ব্যাঙের সংখ্যা বেড়ে যাবে। তাছাড়া বিরুদ্ধে পরিবেশ সনাক্ত করা গেলে ভবিষ্যৎ কর্ম পরিকল্পনাও প্রণয়ন করা সহজ হবে।
3:14 PM
ব্যাঙ(Frog)
কোলা ব্যাঙ
বাংলাদেশের ব্যাঙ গুলির মধ্যে আকারে সবচেয়ে বড়দের সারীতে রয়েছে কোলা ব্যাঙ বা Bullfrog । স্ত্রী কোলা ব্যাঙের চেয়ে পুরুষ কোলা ব্যাঙ বেশী উজ্জ্বল । পুরুষ হলদে জলপাই রঙের , স্ত্রী ব্যাঙ জলপাই ধূসর । উভয়েরি গায়ে কাচে ছোপ আছে । কোলা ব্যাঙ মূলত পোকামাকড় খায় । তবে ছোট মাছ, পাখির ছানা , হাঁসি-মুরগীর ছানা এমন কি সাপও খায়।
বর্ষাকাল কোলা ব্যাঙের প্রজনন মৌসুম । পুরুষ কোলা ব্যাঙ স্ত্রী কোলা ব্যাঙকে মিলনে আকৃষ্ট করার জন্য গলা ফুলিয়ে ডাকাডাকি করে । এ ক্ষেত্রে স্ত্রী কোলা ব্যাঙ যার প্রতি আকৃষ্ট হয় তার সাথে মিলিত হয় । ফলে প্রায় দেখা যায় এসময় পুরুষ কোলা ব্যাঙদের মধ্যে যুদ্ধ বেধে যায় । পরিণত সময়ে একটি স্ত্রী কোলা ব্যাঙ ৩৫০০ থেকে ১২৫০০ টি পর্যন্ত ডিম দিয়ে থাকে । ডিম ফুটে বেরন ব্যাঙ্গাচি দেখতে মাছের পোনার মত । এরা ৪৩ দিনে পরিপূর্ণ ব্যাঙের রূপ নেয় ।
শীতকালে এরা কোন ফাঁকফোকরে বা নরম মাটির নিচে আশ্রয় নেয় । এসময় এরা আর বেরুতে চায় না । অপেক্ষায় থাকে কবে আবার বৃষ্টি নামবে । পানি পেয়ে গরমে শুকিয়ে শক্ত হয়ে যাওয়া মাটি নরম হলেই মাটি ফেটে , লুকিয়ে থাকা ফাঁকফোকর থেকে বেড়িয়ে আসে কোলা ব্যাঙের দল । শুরু হয় নতুন জীবন চক্র।
এরা আমাদের প্রকৃতি ও পরিবেশের জন্য খুবি গুরুত্বপূর্ণ । সেই সাথে অত্যন্ত উপকারী কৃষিতেও । কিন্তু আমরা ফসলে কীটনাশক প্রয়োগ , শিকার , আবাস-স্থল ধ্বংসের ফলে দিন দিন বিলুপ্তির দিকে ঠেলে দিচ্ছি সমগ্র উভয়চর প্রজাতিকেই । এদের রক্ষায় আমাদেরই এগিয়ে আস্তে হবে । নয়তো আমরা হারাব উপকারী এই উভয়চরদের।
লেখা – ঋজু আজম
3:08 PM
ব্যাঙ(Frog)
ব্যাঙ
ব্যাঙ উভচর শ্রেণীর অ্যানিউরা (লেজহীন, অ্যান=নাই, ইউরো=লেজ) বর্গের মেরুদণ্ডী প্রাণী। প্রাণীজগতে আস্ফিবিয়া শ্রেণীর অন্তর্গত মেরুদণ্ডী প্রাণীদের কিছু প্রাণীকে উভচর আখ্যা দেওয়া হয়। প্রথমদিকে পানি তারপর হুলই এসব প্রাণীর আবাস হওয়ায় এদের উভচর বলা হয়। জলে ফুলকার সাহায্যে আর স্থলে ফুসফুসের সাহায্যে এরা শ্বাসকার্য চালায়। উভচর প্রাণীর মধ্যে ব্যাঙ হলো শ্রেষ্ঠ উদাহরণ। এদের লাফ (দেহের আয়তনের তুলনায় বিশ্বরেকর্ড) ও বর্ষাকালে (প্রজনন ঋতু) ঘ্যাঙর্ ঘ্যাঙ্ ডাক (প্রণয় সম্ভাষণ) বিখ্যাত।ব্যাঙের সংস্কৃত নাম দর্দুর যা থেকে বাংলা নাম দাদুর বা দাদুরী এসেছে। আরেক নাম ভেক।
সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা জেনেছেন, প্রকৃতির এই নিরীহ প্রাণীটি ভূমিকম্প ও পাহাড় ধসের পূর্বাভাস দিতে পারে। বাঁচাতে পারে লাখো মানুষের জীবন। যুক্তরাজ্যের ওপেন ইউনিভার্সিটির প্রাণিবিদ্যার অধ্যাপক রাসেল গ্রান্ট সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখেছেন, কুনোব্যাঙ ভূমিকম্পের বিষয়টি আগেভাগে জানতে পারে।
শীতল রক্তবিশিষ্ট হওয়ায় কুনোব্যাঙের বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গে সঙ্গে এদের দেহের তাপমাত্রার পরিবর্তন ঘটে। মাটি ও পানির যেকোনো পরিবর্তন ওরা আগেভাগে টের পায়। বিশেষ করে তীব্র বৃষ্টিপাত হলে ব্যাঙ জোরে শব্দ করে মানুষকে সচেতন করতে পারে। দেশের পার্বত্য জেলাগুলোতে ব্যাঙের ডাককে অনুসরণ করে ভূমি ধসের পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব বলে তিনি মত দেন। তাই ব্যাঙ রক্ষার সরকারের জোরদার পদক্ষেপ দরকার।
অস্ট্রেলিয়ার গাছে বাসকারী সবুজ ব্যাঙ (Litoria caerulea লিতোরিয়া ক্যারুলেয়া) প্রথম সংরক্ষিত ভুক্তি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় নীল হয়ে যাওয়ায় নাম ভুল করে হয় "ক্যারুলেয়া" অর্থাৎ নীল।
এছাড়াও আছে আছে সোনা ব্যাঙ, কোণা ব্যাঙ, ভেঁপু ব্যাঙ, পটকা ব্যাঙ, কটকটি ব্যাঙ, পানা ব্যাঙ, ঘেচু ব্যাঙ, পাতা ব্যাঙ, ঝিঁঝিঁ ব্যাঙ, চীনা ব্যাঙ, ঘেটু ব্যাঙ এবং আরো অনেক রকম ব্যাঙ। এদের কারো শরীর লম্বাটে, কেউ খাটো, কেউ ছোট্ট, কেউ মোটা, কেউ বিশাল দেহী, কারো পেট বেলুনের মত ফুলা। ব্যাঙচিগুলো লেজওয়ালা।
তবে সময় যত গড়াচ্ছে দেশের ব্যাঙের সংখ্যা তত কমছে। প্রাণিবিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, মোট ৩৮ প্রজাতির ব্যাঙ এখন টিকে আছে তার মধ্যে চট্টগ্রামে ২৫ প্রজাতির, সুন্দরবনে আট প্রজাতির ও বাকিগুলো আছে দেশের সর্বত্র। ডোবা-নালার ক্ষুদ্রাকৃতির কীট-পতঙ্গ, ফসলের ক্ষেতের ক্ষতিকারক পোকা-মাকড় খেয়ে ব্যাঙ প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করে। জমিতে কীটনাশকের ব্যবহার ক্রমাগত বাড়তে থাকায় অতিপরিচিত সোনা ব্যাঙের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে কমে আসছে বলে জানিয়েছেন প্রাণিবিদেরা।সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা জেনেছেন, প্রকৃতির এই নিরীহ প্রাণীটি ভূমিকম্প ও পাহাড় ধসের পূর্বাভাস দিতে পারে। বাঁচাতে পারে লাখো মানুষের জীবন। যুক্তরাজ্যের ওপেন ইউনিভার্সিটির প্রাণিবিদ্যার অধ্যাপক রাসেল গ্রান্ট সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখেছেন, কুনোব্যাঙ ভূমিকম্পের বিষয়টি আগেভাগে জানতে পারে।
শীতল রক্তবিশিষ্ট হওয়ায় কুনোব্যাঙের বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গে সঙ্গে এদের দেহের তাপমাত্রার পরিবর্তন ঘটে। মাটি ও পানির যেকোনো পরিবর্তন ওরা আগেভাগে টের পায়। বিশেষ করে তীব্র বৃষ্টিপাত হলে ব্যাঙ জোরে শব্দ করে মানুষকে সচেতন করতে পারে। দেশের পার্বত্য জেলাগুলোতে ব্যাঙের ডাককে অনুসরণ করে ভূমি ধসের পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব বলে তিনি মত দেন। তাই ব্যাঙ রক্ষার সরকারের জোরদার পদক্ষেপ দরকার।
10:22 AM
ব্যাঙ(Frog)
লালচোখো গেছো ব্যাঙ
লালচোখো গেছো ব্যাঙ আকারে তেমন বড় নয় তবে অন্য সব গেছো ব্যাঙের চেয়ে বড়। গড় দৈর্ঘ্য দুই থেকে তিন ইঞ্চি। পুরুষ-ব্যাঙের চেয়ে স্ত্রী-ব্যাঙ সামান্য বড় হয়ে থাকে। আমেরিকার মধ্যাঞ্চল ও মেক্সিকোর দক্ষিণাঞ্চলের বৃষ্টি-অরণ্যের গাছগুলোতে এরা বাস করে। লাল এক জোড়া ড্যাবডেবে চোখ ও সবুজ গা ওদের দিয়েছে সুন্দর রূপ। শরীরে নীল, হালকা হলুদ ও কমলা রঙের ছোপও আছে। রঙিন ব্যাঙেরা সাধারণত বিষাক্ত হয়ে থাকে; কিন্তু লালচোখোরা বিষাক্ত নয়।
সবুজ রং ওদের গাছের সবুজ পাতার আড়ালে গা ঢাকা দিতে কাজে লাগে। এতে একদিকে যেমন সাপ ও শিকারি পাখির মতো শত্রুদের ধোঁকা দেওয়া যায়, তেমনি আবার ছোটখাটো পোকামাকড় শিকারেও এ ছদ্মবেশ কাজে দেয়। গেছো ব্যাঙ বলেই গাছ বাওয়া বা যেকোনো উঁচু জায়গায় উঠতে ওরা খুব পারদর্শী। এ জন্য এদের পাগুলো বিশেষভাবে গঠিত।
লালচোখো গেছো ব্যাঙ নিশাচর। দিনের বেলা এরা পাতার আড়ালে গা ঢাকা দিয়ে থাকে; রাতে খাবার খুঁজতে বের হয়। ডিম পাড়ার সময় হলে স্ত্রী-গেছো ব্যাঙ পাতার ওপর একগাদা ডিম পাড়ে, তবে গাছের ডালসহ পাতাটি ঝুলে থাকতে হবে কোনো পুকুর বা জলাশয়ের ওপর। ডিমের ভেতর ব্যাঙাচি বড় হতে হতে একসময় মোচড় খেতে শুরু করে। এতে ডিমের নরম আবরণ ছিঁড়ে ওরা পানিতে গিয়ে পড়ে। পূর্ণাঙ্গ ব্যাঙে পরিণত না হওয়া পর্যন্ত ব্যাঙাচিগুলো ওই পানিতেই থাকে।
সবুজ রং ওদের গাছের সবুজ পাতার আড়ালে গা ঢাকা দিতে কাজে লাগে। এতে একদিকে যেমন সাপ ও শিকারি পাখির মতো শত্রুদের ধোঁকা দেওয়া যায়, তেমনি আবার ছোটখাটো পোকামাকড় শিকারেও এ ছদ্মবেশ কাজে দেয়। গেছো ব্যাঙ বলেই গাছ বাওয়া বা যেকোনো উঁচু জায়গায় উঠতে ওরা খুব পারদর্শী। এ জন্য এদের পাগুলো বিশেষভাবে গঠিত।
লালচোখো গেছো ব্যাঙ নিশাচর। দিনের বেলা এরা পাতার আড়ালে গা ঢাকা দিয়ে থাকে; রাতে খাবার খুঁজতে বের হয়। ডিম পাড়ার সময় হলে স্ত্রী-গেছো ব্যাঙ পাতার ওপর একগাদা ডিম পাড়ে, তবে গাছের ডালসহ পাতাটি ঝুলে থাকতে হবে কোনো পুকুর বা জলাশয়ের ওপর। ডিমের ভেতর ব্যাঙাচি বড় হতে হতে একসময় মোচড় খেতে শুরু করে। এতে ডিমের নরম আবরণ ছিঁড়ে ওরা পানিতে গিয়ে পড়ে। পূর্ণাঙ্গ ব্যাঙে পরিণত না হওয়া পর্যন্ত ব্যাঙাচিগুলো ওই পানিতেই থাকে।
10:15 AM
ব্যাঙ(Frog)
কটকটি ব্যাঙ
কটকটি ব্যাঙ জীবনের প্রথম পর্যায়ে পানিতে ও পূর্ণাঙ্গ অবস্থায় স্থলে বসবাস করে। দেহ ত্বক সাধারণত আইশবিহীন, মসৃণ ও গ্রন্থসমৃদ্ধ। পনিতে ফুলকার সাহায্যে ও স্থলে ফুসফুসের সাহায্যে শ্বসন চালায়। চামড়া সিক্ত ও অনাবৃত। পা ২ জোড়া, অগ্রপদে ৪টি ও পশ্পাদপদে ৫ নখরহীন আঙ্গুলযুক্ত থাকে।এরা বহ্যিক নিষেক ক্রিয়ার মাধ্যমে প্রজনন ঘটিয়ে ডিম পারে। লার্ভা দশা থেকে রূপান্তরের মাধ্যমে পরিপূর্ণ রূপ নেয়।একে ইরেজীতে Skittering frog বা Indian Skipper frog বলে আর বৈজ্ঞানিক নাম Euphlyctis cyanophlyctis।
10:00 AM
ব্যাঙ(Frog)
গেছো ব্যাঙ
নানা প্রজাতির ব্যাঙের মধ্যে গেছো ব্যাঙ উড়তে পারে মানে বেশ লাফিয়ে অনেক দূর যেতে পারে।এই গেছো ব্যাঙেরা থাকে ঝোপে-ঝাড়ে, বনে-বাদাড়ে ও গাছে। অন্যান্য ব্যাঙের চাইতে দেখতে এরা অবশ্য একটু কমই বেঢপ আকৃতির হয়। এদের হাত-পা একটু বেশীই লম্বা লম্বা ধরনের আর সেই লম্বা লম্বা হাত-পায়ের সাহায্যে সে ধাক্কা দিয়ে উঠে পড়ে শূণ্যে।
বাতাসে ভেসে সে এভাবে পাড়ি দিতে পারে অনেকটা পথ। তারপর আবার যেখানে খুশি সেখানে নেমে আসতে পারে নির্বিঘ্নে। আর এর জন্য তার পায়ের নিচে থাকে বিশেষ গ্রন্থি। যার মাধ্যমে সে অনেকটা টিকটিকির মতো যে কোন জায়গা বেয়ে নেমে উঠে যেতে পারে। পারে আকাশ থেকে নেমে আসার সময় গাছের গায়ে লেপ্টে যেতেও।
এর ইংরেজী নাম Tyler's Tree Frog বা Tree Frog ও বৈজ্ঞানিক নাম Litoria tyleri।
বাতাসে ভেসে সে এভাবে পাড়ি দিতে পারে অনেকটা পথ। তারপর আবার যেখানে খুশি সেখানে নেমে আসতে পারে নির্বিঘ্নে। আর এর জন্য তার পায়ের নিচে থাকে বিশেষ গ্রন্থি। যার মাধ্যমে সে অনেকটা টিকটিকির মতো যে কোন জায়গা বেয়ে নেমে উঠে যেতে পারে। পারে আকাশ থেকে নেমে আসার সময় গাছের গায়ে লেপ্টে যেতেও।
সাধারণ গেছো ব্যাঙ
এর ডিম পাড়ার সময় পানির ধারে এমন গাছ বেছে নেয় যার কিছুকিছু পানির ওপর বরাবর থাকে। এরা এদের ডিমগুলোকে একরকম আঠালো নিঃসরণের সাহায্যে ঠিক পানির উপরে পাতার গায়ে আটকে দেয়। ডিম ফুটে ব্যাঙাচি বের হলে ব্যাঙাচিগুলো সরাসরি পানিতে পড়ে যায় ফলে ব্যাঙাচিগুলোর বেঁচে থাকতে কোনো অসুবিধা হয় না।কিউবিয়ান গেছো ব্যাঙ
গেছো ব্যাঙের থাবা থেকে সম্প্রতি ভারতের গবেষকরা এক ধরনের অতি শক্তিশালী এবং বারবার ব্যবহারযোগ্য আঠা আবিষ্কার করেছেন।গেছো ব্যাংর থাবার মশৃণ হস্তু রেখা" রয়েছে বলে আঠার শক্তির দুবর্লতা এড়ানো সম্ভব হয়। জানা গেছে গেছো ব্যাংএর থাবার ওপর গবেষণা করে আবিষ্কৃত এই নতুন ধরনের আঠার শক্তি আগের সাধারণ আঠার শক্তির চাইতে ৩০ গুণ বেশি। উপরন্তু এ ধরনের আঠা বারবার ব্যবহার করা ও যায়।এর ইংরেজী নাম Tyler's Tree Frog বা Tree Frog ও বৈজ্ঞানিক নাম Litoria tyleri।
ইউরোপিয়ান গেছো ব্যাঙ
9:49 AM
ব্যাঙ(Frog)
সোনা ব্যাঙ
সোনা (কোলা) ব্যাঙ আর্দ্র জায়গায় বা জলে বেশী থাকে। একে ইরেজীতে Golden toad, Monteverde golden toad, the Monte Verde toad, Alajuela toad, orange toad ইত্যাদি নানা নামে ডাকা হয় আর বৈজ্ঞানিক নাম Bufo periglenes বা Rana tigrina।
এরা লাল পিঁপড়া, কালো পিঁপড়া, মশা, মাছি ও নানা রকম পোকা মাকর খেয়ে বেচে থাকে। জীবনের প্রথম পর্যায়ে পানিতে ও পূর্ণাঙ্গ অবস্থায় স্থলে বসবাস করে। দেহ ত্বক সাধারণত আইশবিহীন, মসৃণ ও গ্রন্থসমৃদ্ধ। পনিতে ফুলকার সাহায্যে ও স্থলে ফুসফুসের সাহায্যে শ্বসন চালায়। চামড়া সিক্ত ও অনাবৃত। পা ২ জোড়া, অগ্রপদে ৪টি ও পশ্পাদপদে ৫ নখরহীন আঙ্গুলযুক্ত থাকে।এরা বহ্যিক নিষেক ক্রিয়ার মাধ্যমে প্রজনন ঘটিয়ে ডিম পারে। লার্ভা দশা থেকে রূপান্তরের মাধ্যমে পরিপূর্ণ রূপ নেয়।
9:36 AM
ব্যাঙ(Frog)
কুনো ব্যাঙ
কুনো ব্যাঙ শুকনো বা স্যাঁতসেঁতে জায়গায় বেশী থাকে। প্রধাণত সুন্দরবনে এদের বেশী দেখা যায়। এরা লাল পিঁপড়া, কালো পিঁপড়া, মশা, মাছি ও নানা রকম পোকা মাকর খেয়ে বেচে থাকে। একে ইরেজীতে Toad বলে আর বৈজ্ঞানিক নাম Bufo melanostictus।
জীবনের প্রথম পর্যায়ে পানিতে ও পূর্ণাঙ্গ অবস্থায় স্থলে বসবাস করে। দেহ ত্বক সাধারণত আইশবিহীন, মসৃণ ও গ্রন্থসমৃদ্ধ। পনিতে ফুলকার সাহায্যে ও স্থলে ফুসফুসের সাহায্যে শ্বসন চালায়। চামড়া সিক্ত ও অনাবৃত। পা ২ জোড়া, অগ্রপদে ৪টি ও পশ্পাদপদে ৫ নখরহীন আঙ্গুলযুক্ত থাকে।
এরা বহ্যিক নিষেক ক্রিয়ার মাধ্যমে প্রজনন ঘটিয়ে ডিম পারে। লার্ভা দশা থেকে রূপান্তরের মাধ্যমে পরিপূর্ণ রূপ নেয়।
9:28 AM
ব্যাঙ(Frog)
সেরাটোফাইরিন ব্যাঙ
সেরাটোফাইরিন ব্যাঙ (cerato firin frogs) আক্রমণাত্মক মনোভঙ্গীর ব্যাঙ।অনেকক্ষণ ধরে এক জায়গায় ঘাপটি মেরে লুকিয়ে থেকে হঠাৎ করে শিকারের ঘাড়ে লাফিয়ে পড়ে।আকারে ছোট, তবে চোয়াল বড়।
8:39 AM
ব্যাঙ(Frog)
দৈত্য ব্যাঙ
দৈতাকৃতিরএই ব্যাঙের ইংরেজী নাম goliath frog ও বৈজ্ঞানিক নাম Conraua goliath । এরা আকারে ১৩ ইঞ্চি বা ৩৩ সেমি লম্বা হয় আর ওজন প্রায় ৩ কেজি(৮ পাউন্ড) মত। এরা কাঁকরা, পোকা মাকড়, ছোট ব্যাঙ খেয়ে থাকে। ১৫ বছরের উপরে বাঁচে।West Africa'র Cameroon ও Equatorial Guinea এলাকার নদীর চরের বালুতে ঘাপটি মেরে থাকে।
8:30 AM
ব্যাঙ(Frog)
কাঁকড়াভুক ব্যাঙ
কাঁকড়াভুক ব্যাঙ বা ম্যানগ্রোভ ব্যাঙ সুন্দরবনের একটি সাধারণ ব্যাঙ। কিন্তু কোলা ও কটকটি ব্যাঙের সঙ্গে এদের খুব বেশি সাদৃশ্য থাকায় এত দিন আমরা তাদের পরিচিতি ঠিকমতো জানতে পারিনি। ব্যাঙটি আমাদের কাছে রহস্যময় হিসেবেই পরিচিত ছিল। এরা মূলত কাঁকড়া (crab) খেয়ে থাকে। cancri অর্থ কাঁকড়া (crab) আর vorus মানে খাওয়া (feeder, eating)। এদের খাদ্যাভ্যাস থেকেই এ ধরনের নামকরণ। তবে ম্যানগ্রোভ অঞ্চলের বাইরে থাকার সময় এটি পতঙ্গ ও ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র প্রাণী খেয়ে থাকে। মনুষ্যবসতির কাছে স্বাদু পানির পরিবেশেও এদের বাস করতে দেখা যায়।
কাঁকড়াভুক ব্যাঙের সঙ্গে আমাদের দেশে সচরাচর দেখা পাওয়া কোলা বা সোনা ব্যাঙ ও কটকটি ব্যাঙের সাদৃশ্য রয়েছে। কিন্তু এরা উপকূলীয় এলাকা থেকে দূরে বাস করে না। চোখের পেছন থেকে উভয় পাশে টানা শৈলশিরা বা উত্তোলিত রেখা এই ব্যাঙের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। উপরন্তু পিঠের ওপর শৈলশিরা বা উত্তোলিত রেখা একটানা নয়, ভঙ্গুর। চোখের সামনে থেকে নাকের ছিদ্র পর্যন্ত পারতপক্ষে কোনো রেখা নেই, যা সহযোগী প্রজাতিতে আছে। এ ছাড়া চঞ্চু থেকে দেহের শেষ ভাগ পর্যন্ত সচরাচর কোনো হালকা ডোরা দেখা যায় না। এরা ছয় থেকে আট সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায়, বিশেষ করে মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের বিজ্ঞানীদের মতে, পুরুষ-ব্যাঙের চেয়ে স্ত্রী-ব্যাঙ বড় হয়। এই ব্যাঙ আরেকটি অনন্য বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। আর তা হলো, এরা শরীরে অতিমাত্রায় ইউরিয়া জমা রাখতে পারে। এ কারণে এরা প্রায় সাগরজলের সমপরিমাণ লবণাক্ততা সহনক্ষম। তবে এদের ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয় কেবল স্বাদু পানিতে। বর্ষাকালে সুন্দরবনের বিভিন্ন অংশে সাময়িক কিছু ডোবা তৈরি হয়। এসব ডোবার মধ্যে এদের ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়। ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে প্রকাশিত Knut Schmidt-Nielsen তাঁর প্রাণীর শারীরবৃত্ত: অভিযোজন ও পরিবেশ গ্রন্থে বলছেন, পূর্ণ বয়সী ব্যাঙের চেয়ে ব্যাঙাচির লবণাক্ততা সহনক্ষমতা বেশি। এই ব্যাঙ যে পরিমাণ ঘন লোনাপানিতে বাস করে, দেশের অন্য কোনো ব্যাঙ তা পারে না।
এগুলো কাঁকড়া খাওয়া (Crab-eating) ব্যাঙ বা ম্যানগ্রোভ ব্যাঙ নামে পরিচিত।বৈজ্ঞানিক নাম Fejervarya cancrivora। আগে এর নাম ছিল Rana cancrivora বা Limnonetes (Hoplobatrachus) cancrivora। ২০০৭ সালের জুলাইয়ে অধ্যাপক দত্ত উড়িষ্যার উপকূলে প্রথমবারের মতো এমন ব্যাঙের প্রজাতির সন্ধান পান।
আর আমাদের দেশে ব্যাঙের ৩৫টি প্রজাতির সঙ্গে আরেকটি নতুন প্রজাতি হিসেবে তা যুক্ত হলো।
মূল লেখা: রেজা খান (প্রথম আলো)
কাঁকড়াভুক ব্যাঙের সঙ্গে আমাদের দেশে সচরাচর দেখা পাওয়া কোলা বা সোনা ব্যাঙ ও কটকটি ব্যাঙের সাদৃশ্য রয়েছে। কিন্তু এরা উপকূলীয় এলাকা থেকে দূরে বাস করে না। চোখের পেছন থেকে উভয় পাশে টানা শৈলশিরা বা উত্তোলিত রেখা এই ব্যাঙের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। উপরন্তু পিঠের ওপর শৈলশিরা বা উত্তোলিত রেখা একটানা নয়, ভঙ্গুর। চোখের সামনে থেকে নাকের ছিদ্র পর্যন্ত পারতপক্ষে কোনো রেখা নেই, যা সহযোগী প্রজাতিতে আছে। এ ছাড়া চঞ্চু থেকে দেহের শেষ ভাগ পর্যন্ত সচরাচর কোনো হালকা ডোরা দেখা যায় না। এরা ছয় থেকে আট সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায়, বিশেষ করে মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের বিজ্ঞানীদের মতে, পুরুষ-ব্যাঙের চেয়ে স্ত্রী-ব্যাঙ বড় হয়। এই ব্যাঙ আরেকটি অনন্য বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। আর তা হলো, এরা শরীরে অতিমাত্রায় ইউরিয়া জমা রাখতে পারে। এ কারণে এরা প্রায় সাগরজলের সমপরিমাণ লবণাক্ততা সহনক্ষম। তবে এদের ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয় কেবল স্বাদু পানিতে। বর্ষাকালে সুন্দরবনের বিভিন্ন অংশে সাময়িক কিছু ডোবা তৈরি হয়। এসব ডোবার মধ্যে এদের ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়। ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে প্রকাশিত Knut Schmidt-Nielsen তাঁর প্রাণীর শারীরবৃত্ত: অভিযোজন ও পরিবেশ গ্রন্থে বলছেন, পূর্ণ বয়সী ব্যাঙের চেয়ে ব্যাঙাচির লবণাক্ততা সহনক্ষমতা বেশি। এই ব্যাঙ যে পরিমাণ ঘন লোনাপানিতে বাস করে, দেশের অন্য কোনো ব্যাঙ তা পারে না।
এগুলো কাঁকড়া খাওয়া (Crab-eating) ব্যাঙ বা ম্যানগ্রোভ ব্যাঙ নামে পরিচিত।বৈজ্ঞানিক নাম Fejervarya cancrivora। আগে এর নাম ছিল Rana cancrivora বা Limnonetes (Hoplobatrachus) cancrivora। ২০০৭ সালের জুলাইয়ে অধ্যাপক দত্ত উড়িষ্যার উপকূলে প্রথমবারের মতো এমন ব্যাঙের প্রজাতির সন্ধান পান।
আর আমাদের দেশে ব্যাঙের ৩৫টি প্রজাতির সঙ্গে আরেকটি নতুন প্রজাতি হিসেবে তা যুক্ত হলো।
মূল লেখা: রেজা খান (প্রথম আলো)
8:02 AM
ব্যাঙ(Frog)
নরকের শয়তান ব্যাঙ
৭৫ টুকরো জীবাস্মকে একবছর ধরে জোড়া দিয়ে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ব্যাঙের বিশেষজ্ঞ সুজান ইভানস ২০০৭ সালে এই ব্যাঙের ফসিলের সন্ধান পান। তার ভাষ্যমতে এই ব্যাঙের ফসিলের বয়স ৭০ মিলিয়ন বছর। যা আকারে বিচ বলের সমান, ১৬ ইঞ্চি( ৪১ সে.মি.) উচু এবং ৪.৫ কি.গ্রা. (১০ পাউন্ড) ওজনের। এরা ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ব্যাঙ।
এই ব্যাঙের কয়েকটি নাম আছে ইংরেজীতে Beelzebufo, Devil Frog, Devil Toad, The Frog From Hell আর বৈজ্ঞানিক নাম Beelzebufo ampinga। ধারনা করা হয় মাদাগাস্কার ছিল এদের আবাসভূমি।
এরা খুবই আক্রমণাত্মকম, চোয়াল বড় ও শক্ত যাতে শিকার সহজে ধরা যায় ও কাবু করা যায়।
7:37 AM
ব্যাঙ(Frog)
Subscribe to:
Posts
(
Atom
)



























.jpg)






