Showing posts with label সাপ(Snake). Show all posts
Showing posts with label সাপ(Snake). Show all posts
কোরাল সাপ
পৃথিবীর সুন্দর সাপগুলির মধ্যে কোরাল সাপ অন্যতম। এরা দেখতে যেমন সুন্দর তেমনি এরা খুবই বিষাক্ত হয়ে থাকে। এদের বিষ এতই তীব্র যে পৃথিবীর ২য় বিষধর সাপ হল এরা। কোরাল সাপের বিষ কারো শরীরে অল্প পরিমান প্রবেশ করলেই তার মৃত্যু নিশ্চিত।
এদের বিষ নিউরোটক্সিক অর্থাৎ ব্রেইন ও স্নায়ুতন্ত্রকে নষ্ট করে দেয়। তাই দ্রুত তার শরীরের সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ যেমন ফুসফুস, হৃদপিণ্ড, চক্ষু, মস্তিস্ক অকেজো হয়ে আক্রান্ত ব্যাক্তি দ্রুত মারা যাবে। তবে কোরাল সাপের মানুষ কামড়ানোর তথ্য খুবই কম এবং নিহত হওয়ার তথ্য নাই বললেই চলে।
মাইন রানা
3:03 AM
সাপ(Snake)
স্পিটিং কোবরা
কোবরা সাপের বিষ মানেই চরম বিপদ। কামড়ালে আর রক্ষা নেই। তবে কোবরার মধ্যে স্পিটিং কোবরা কামড় ছাড়াও বিষ নিক্ষেপ করে শত্রুর চোখ নষ্ট করে দিতে পারে।
এই সাপের বিষ সাধারণত চামড়ায় পড়লে কোন ক্ষতি হয়না তবে চোখে লাগলে চোখ চিরদিনের জন্য নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এই সাপের বিষ নিউরোটক্সিক হওয়ায় তা চোখের স্নায়ুগুলিকে নষ্ট করে দেয়।
3:15 AM
সাপ(Snake)
কাল নাগিনী
বাংলাদেশের মানুষ অন্য কোন সাপের নাম যা জানলেও কালনাগিনী সাপের নাম খুব ভালভাবেই জানে। এই কালনাগিনীর পরিচিত গ্রামের আনাচে কানাচে থেকে শুরু করে শহরের অলি গলি সব জাগাতে।
এর বড় কারণ হল কালনাগিনী বাংলাদেশের সাপের সিনেমা বা ছবি গুলির সবচেয়ে বড় চরিত্র। কালনাগিনীর প্রেম, নাগ নাগিনী ইত্যাদি অনেক ছবি বানানো হয়েছে কালনাগিনীর নামে। বেহুলা লখিন্দর এর কাহিনীতেও আছে কালনাগিনীর বড় চরিত্র।
কালনাগিনীর তীব্র বিষ ও মানুষ মৃত্যু নিয়ে নানান আজগুবি কল্প-কাহিনী সমাজে থাকলেও এরা আসলে নির্বিষ সাপ। এদের কামরে মানুষ মারা যাওয়াতো দূরের কথা সামান্য ব্যথাও হয়না। প্রকৃতপক্ষে কালনাগিনী বলে যেসব সাপকে দেখানো হয় সেগুলি কোনটাই কালনাগিনী নয়। সেগুলি হল গোখরা বা কোবরা। কালনাগিনী বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর সাপগুলির মধ্যে একটি। কালো-লাল-হলুদ মোজাইকের সাপটি দেখতে যেমন সুন্দর তেমনি নিরহী ও শান্ত।
যারা রাস্তার ধারে সাপের খেলা দেখেছেন তারা প্রায় সময় এই সাপ দেখে থাকবেন। সাপুড়ে সবাইকে বলে হাতে টাকা নিয়ে সামনে ধরতে এবং এই সাপ যার হাতে নামবে (টাকার নোট যত বেশী) সে ভাগ্যবান ও তার টাকা নিয়ে নিবে। এরপর একটি ছোট সুন্দর সাপ হাতে নিয়ে মানুষের হাতে নামাতে থাকেন। যেই সাপ সবার হাতে হাতে নামিয়ে তিনি এই টাকা নেন এটা হল সেই কালনাগিনী সাপ।
ঢাকা শহরে আমি বেঁধে মেয়েদের হাতে এই সাপ অনেকবার দেখেছি তারা হটাৎ পথচারী মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে এই সাপ দেখিয়ে টাকা নেয়।
বাংলায় কালনাগিনী বললেও ইংরেজিতে এই সাপের নাম Golden tree snake or ornate flying snake এবং বৈজ্ঞানিক নাম Chrysopelea ornata। যার বাংলা হয় উড়ন্ত সাপ। এদের নাম flying snake হলেও এরা আসলে উড়তে পারে না। তবে এক গাছ থেকে লাফিয়ে বা গ্লাইডিং করে অন্য গাছে যেতে পারে। টিকটিকি, ইঁদুর, গিরিগিটি এদের প্রধান খাবার ও পোকামাকড় ও খেয়ে থাকে। মার্চ মাসে এরা ৬-১২ টি ডিম পাড়ে যা থেকে দুইমাস পর বাচ্চা ফুটে।
মাইন রানা
8:02 AM
সাপ(Snake)
পঙ্কিরাজ সাপ
আগের দিনে আমাদের গ্রাম-গঞ্জে সাপুড়িয়ার কাঁধে ঝুলত নানান আকারের বাক্স, বড় থেকে ছোট। ঝুলন ভারের সবার উপরের ছোট বাক্সে থাকতো লাউয়ের কচি ডগার মত সবুজ লিকলিকে এই লাউডগা সাপ Short-noscd vine snake। চলনে সামান্য ভিন্নতা থাকায় এর আরেকটি নাম পঙ্কিরাজ সাপ।
সাপ হলেও অন্য সাপদের থেকে এর চলার ধরন ও পথ একটু আলাদা। এরা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাবার জন্য উঁচু গাছের ডাল বা স্থান থেকে লাফ-দেয় নির্দিষ্ট স্থানের উদ্দেশে। সে সময় দেহের দুইদিক চ্যাপ্টা করে রাখে ফলে তা বিমানের পাখার মত কাজ করে। বাতাসের উপর ভড়করে এই সাপ অনেক দূর পর্যন্ত যেতে পারে। তাই হয়ত আমরা অনেকে মনে করি এই সাপ উড়তে পারে।
এরা দেখতে লাউয়ের কচি ডগার মত সবুজ বা জলপাই সবুজ রঙের। সাথে কিছুটা হলদে ভাব আছে। লাউডগা সাপ আকারে ২০০ সেমি. পর্যন্ত হয়। এদের মাথা সূচালো। লাউডগা সাপ সাধারণত বনাঞ্চলে গাছে ঝোপঝাড়ে থাকে। এরা সবুজ পাতার সাথে সহজেই মিশেযেতে পারে। টিকটিকি , ব্যাঙ , ছোট পাখি লাউডগা সাপের খাবার। এরা ৪ থেকে ৬ বাচ্চা দিয়ে থাকে। বাচ্চারা উজ্জ্বল বাদামী হয়।
এরা বিষধর না। তার পরেও দেখা পেলেই এদের সবাই হত্যা করে। আবাসের অভাবে এরা আশ্রয়হীন । ফলে দিন দিন সবরকমের সাপ আজ বিপন্ন !
লেখা- ঋজু আজম
ছবি – ইন্টারনেট
12:04 PM
সাপ(Snake)
পিট ভাইপার
র্যাটল সাপ (ইংরেজি ভাষায়: Rattlesnake — উচ্চারণ: র্যাট্ল্স্নেইক) একপ্রকার বিষধর সাপ। এরা Crotalus এবং Sistrurus গণের অধিভু্ক্ত। এরা সেসমস্ত বিষাক্ত সাপের উপপরিবারের অন্তর্গত, যারা সাধারণত পিট ভাইপার নামে পরিচিত। এটি মূলত মরু এবং পাথুরে অঞ্চলের সাপ।
পৃথিবীতে র্যাটল সাপের প্রজাতির সংখ্যা প্রায় ৩০। এছাড়া অনেকগুলো উপ-প্রজাতিও রয়েছে। এর র্যাটল নামকরণের কারণ তাঁদের লেজের শেষাংশে ঝুমঝুমির মতো শ...ব্দ উৎপন্নকারী একটি অংশ। ইংরেজি rattle (র্যাটল) শব্দের বাংলা অর্থ ঝুমঝুমি। কোনো রকম হুমকি বা বিপদের সম্মুখীন হলে তারা এই র্যাটল ব্যবহার করে। র্যাটল সাপের বৈজ্ঞানিক নাম Crotalus এসেছে গ্রিক শব্দ κρόταλον থেকে, যার ইংরেজি ক্যাসটানেট (castanet)। এটি এক প্রকার বাদ্যযন্ত্র। Sistrurus নামক ল্যাটিন শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ Σείστρουρος বা Seistrouros থেকে, যার ইংরেজি অর্থ ‘tail rattler’ (বাংলা: ঝুমঝুমি লেজ)। এছাড়া ঝুমঝুমির ন্যায় একপ্রকার প্রাচীন মিশরীয় বাদ্যযন্ত্র সিসট্রাম (sistrum) থেকেও শব্দটি উৎপত্তি হয়েছে বলে ধরা হয়। বেশিরভাগ র্যাটল সাপ বসন্তকালে প্রজননে অংশ নেয়। কিছু প্রজাতি ডিম পাড়ে, এছাড়া সব প্রজাতিই সরাসরি বাচ্চা জন্ম দেয়। বাচ্চা সাপ জন্ম থেকেই আত্মনির্ভরশীল। জন্মের পর তাদের মায়ের সংস্পর্শের প্রয়োজন হয় না, এবং জন্মের পর মা সাপও বাচ্চার সাথে থাকে না।
পৃথিবীতে র্যাটল সাপের প্রজাতির সংখ্যা প্রায় ৩০। এছাড়া অনেকগুলো উপ-প্রজাতিও রয়েছে। এর র্যাটল নামকরণের কারণ তাঁদের লেজের শেষাংশে ঝুমঝুমির মতো শ...ব্দ উৎপন্নকারী একটি অংশ। ইংরেজি rattle (র্যাটল) শব্দের বাংলা অর্থ ঝুমঝুমি। কোনো রকম হুমকি বা বিপদের সম্মুখীন হলে তারা এই র্যাটল ব্যবহার করে। র্যাটল সাপের বৈজ্ঞানিক নাম Crotalus এসেছে গ্রিক শব্দ κρόταλον থেকে, যার ইংরেজি ক্যাসটানেট (castanet)। এটি এক প্রকার বাদ্যযন্ত্র। Sistrurus নামক ল্যাটিন শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ Σείστρουρος বা Seistrouros থেকে, যার ইংরেজি অর্থ ‘tail rattler’ (বাংলা: ঝুমঝুমি লেজ)। এছাড়া ঝুমঝুমির ন্যায় একপ্রকার প্রাচীন মিশরীয় বাদ্যযন্ত্র সিসট্রাম (sistrum) থেকেও শব্দটি উৎপত্তি হয়েছে বলে ধরা হয়। বেশিরভাগ র্যাটল সাপ বসন্তকালে প্রজননে অংশ নেয়। কিছু প্রজাতি ডিম পাড়ে, এছাড়া সব প্রজাতিই সরাসরি বাচ্চা জন্ম দেয়। বাচ্চা সাপ জন্ম থেকেই আত্মনির্ভরশীল। জন্মের পর তাদের মায়ের সংস্পর্শের প্রয়োজন হয় না, এবং জন্মের পর মা সাপও বাচ্চার সাথে থাকে না।
12:48 PM
সাপ(Snake)
ওয়ার্ম স্নেক
কোয়ার্টার ডলার মুদ্রার ওপর এঁটে গেছে পূর্ণবয়স্ক সাপটি, আমেরিকার এক বিজ্ঞানী জানাচ্ছেন তিনি পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম সাপটিকে খুঁজে পেয়েছেন। এর বাস ক্যারিবিয়ান দ্বীপমালার অন্যতম দ্বীপ বার্বাডোজে। সাপটির যখন পূর্ণ বয়স হয়, তখন তার আকার দাড়ায় চার ইঞ্চি বা ১০ সেন্টিমিটার।
আমেরিকার পেনস্টেট ইউনিভার্সিটির এস ব্লেয়ার হেজ একজন বিবর্তনবাদী প্রাণীবিজ্ঞানী। বিজ্ঞানী হেজ বলেন, এ সাপটি বার্বাডোজের এক বনের ভেতর এ...কটা পিচ্ছিল পাথরের নিচে বাস করছিল।এ ছোট্ট সাপটি যে কি না সবার ছোট। সে এতোটাই ছোট যে, সেটি আমেরিকার একটি ধাতব মুদ্রার ওপর নিজেকে বাঁকাতে পারবে। ধারণা করা হচ্ছে, পৃথিবীতে প্রায় ৩ হাজার ১০০ প্রজাতির সাপ রয়েছে। এটি তাদের মধ্যে সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম। বিজ্ঞান জগতে সাপটির পরিচয় করিয়ে দেয় এক বিজ্ঞান সাময়িকী, যার নাম জুটাক্সা।
নতুন এবং কৌতূহল তৈরি করে এমন বেশকিছু প্রাণী ক্যারিবিয়ান দ্বীপমালাতে পাওয়া গেছে, যদিও এখানে এখনো সামান্য পরিমাণ প্রাকৃতিক বনভূমি অবশিষ্ট রয়েছে। হেজ বলেন, তিনি এ সাপটির নাম রেখেছেন লেপোটাইফেলাপস। এ নামটি তিনি রেখেছেন তার স্ত্রী, যিনি কি না একজন হেরোপোটলজিস্ট সেই কার্লা এন হাসের নামে। হেরোপোটলজিস্ট অর্থ সরীসৃপদের প্রাকৃতিক ইতিহাস নিয়ে কাজ করা।
প্রাণীবিদ রে ম্যাকডিয়ারমেড ওয়াশিংটনের স্মিথসোনিয়ান ন্যাশনাল মিউজিয়াম অফ ন্যাচারাল হিস্ট্রির প্রাণীবিদ্যা বিভাগের কিউরেটর বা পরিচালক। তিনি বলেন, সে ছোট্ট প্রাণীটিকে দেখেছেন। তিনি মনে করেন এটিকে সবচেয়ে ছোট সাপের মর্যাদা না দেয়ার মতো কোনো কিছুই নেই।
ম্যাকডিয়ারমেড বলেন, বার্বাডোজের এসব প্রাণী সুতোর মতো। এদের বলা হয় ওয়ার্ম স্নেক বা কৃমির মতো সাপ। এ ধরনের প্রাণীদের এ অঞ্চলেই বেশি পাওয়া যায়। এসব প্রাণী সম্পর্কে খুব কমই জানা গেছে।
আরও অনেক নতুন নতুন ও মজার কিছু জানতে “সাধারন জ্ঞান” সম্পর্কিত পেজটা এখনই ঘুরে আসুন।
সবজান্তা বাবা‼-সাধারণ জ্ঞান
আমেরিকার পেনস্টেট ইউনিভার্সিটির এস ব্লেয়ার হেজ একজন বিবর্তনবাদী প্রাণীবিজ্ঞানী। বিজ্ঞানী হেজ বলেন, এ সাপটি বার্বাডোজের এক বনের ভেতর এ...কটা পিচ্ছিল পাথরের নিচে বাস করছিল।এ ছোট্ট সাপটি যে কি না সবার ছোট। সে এতোটাই ছোট যে, সেটি আমেরিকার একটি ধাতব মুদ্রার ওপর নিজেকে বাঁকাতে পারবে। ধারণা করা হচ্ছে, পৃথিবীতে প্রায় ৩ হাজার ১০০ প্রজাতির সাপ রয়েছে। এটি তাদের মধ্যে সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম। বিজ্ঞান জগতে সাপটির পরিচয় করিয়ে দেয় এক বিজ্ঞান সাময়িকী, যার নাম জুটাক্সা।
নতুন এবং কৌতূহল তৈরি করে এমন বেশকিছু প্রাণী ক্যারিবিয়ান দ্বীপমালাতে পাওয়া গেছে, যদিও এখানে এখনো সামান্য পরিমাণ প্রাকৃতিক বনভূমি অবশিষ্ট রয়েছে। হেজ বলেন, তিনি এ সাপটির নাম রেখেছেন লেপোটাইফেলাপস। এ নামটি তিনি রেখেছেন তার স্ত্রী, যিনি কি না একজন হেরোপোটলজিস্ট সেই কার্লা এন হাসের নামে। হেরোপোটলজিস্ট অর্থ সরীসৃপদের প্রাকৃতিক ইতিহাস নিয়ে কাজ করা।
প্রাণীবিদ রে ম্যাকডিয়ারমেড ওয়াশিংটনের স্মিথসোনিয়ান ন্যাশনাল মিউজিয়াম অফ ন্যাচারাল হিস্ট্রির প্রাণীবিদ্যা বিভাগের কিউরেটর বা পরিচালক। তিনি বলেন, সে ছোট্ট প্রাণীটিকে দেখেছেন। তিনি মনে করেন এটিকে সবচেয়ে ছোট সাপের মর্যাদা না দেয়ার মতো কোনো কিছুই নেই।
ম্যাকডিয়ারমেড বলেন, বার্বাডোজের এসব প্রাণী সুতোর মতো। এদের বলা হয় ওয়ার্ম স্নেক বা কৃমির মতো সাপ। এ ধরনের প্রাণীদের এ অঞ্চলেই বেশি পাওয়া যায়। এসব প্রাণী সম্পর্কে খুব কমই জানা গেছে।
আরও অনেক নতুন নতুন ও মজার কিছু জানতে “সাধারন জ্ঞান” সম্পর্কিত পেজটা এখনই ঘুরে আসুন।
সবজান্তা বাবা‼-সাধারণ জ্ঞান
12:25 PM
সাপ(Snake)
পাতাল নাগিনী
অতি দুর্লভ, সুদর্শন ও রহস্যময় এই সাপটির নামও খুব সুন্দর। ‘পাতাল নাগিনী’। এটি নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার স্থানীয় নাম। সাপটি থাকে নদীর তলদেশে। কিছুক্ষণ পর পর শ্বাস নেওয়ার জন্য সরু মাথা-ঘাড়ের প্রায় ১ ফুট অংশ তীরের ফলার মতো জাগিয়ে দেয় পানির ওপর। খুব সুন্দর দৃশ্য সেটা। চরসিন্দুরের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া শীতলক্ষ্যার জেলেদের কাছে এটা পরিচিত সাপ। দেখুক, না দেখুক, পাতাল নাগিনীর নাম তারা জানে। হিন্দু সম্প্রদায়ের জেলেরা এটিকে পাতালপুরীর পবিত্র সাপ মনে করে। মুসলমান জেলেরা জাল-বড়শিতে পেলে মেরে ফেলে। জেলেরা শীতলক্ষ্যায় রাতের বেলায় নদীর গভীরে পেতে রাখে সারি সারি বড়শি, তাতে টোপ থাকে লাল কেঁচো। ক্বচিৎ পাতাল নাগিনী এসব টোপ গেলে।
চরসিন্দুরের সরওয়ার পাঠানের কাছে এই খবরটা শুনে আগ্রহী হই। তাকে বলি একটি নমুনা সংগ্রহ করতে। ১৫ আগস্ট, ২০০৩ সালে বড়শিতে আটকা পড়া একটি সাপ সংগ্রহ করে সে। সাপটি দেখে আমি রোমাঞ্চিত। কিন্তু নানা বইপত্র ঘেঁটেও সাপটিকে শনাক্ত করতে গলদঘর্ম হই। অধ্যাপক কাজী জাকের হোসেন, ড. রেজা খান, ড. রেজাউর রহমানসহ আরও দু-চারজন প্রাণীবিদের সঙ্গে যোগাযোগ করি। আমি ও তানভীর খান প্রায় ৯০ শতাংশ নিশ্চিত হই, পাতল নাগিনী বলে পরিচিত এই সাপটির বসবাস সাগরে। এটি মূলত সামুদ্রিক সাপ। কিন্তু এ রকম একটি সাপ স্থায়ীভাবে শীতলক্ষ্যায় থাকবে কেন? ভেবে কূলকিনারা পাই না। ছবি পাঠাই দুবাইতে। ড. রেজা খান আমাদের প্রায় নিশ্চিত ধারাণাকে শতভাগ নিশ্চিত করে জানান, কোনো সন্দেহ নেই এটি সামুদ্রিক সাপই। ইংরেজি নাম Annulated Sea Snak। বৈজ্ঞানিক নাম Hydrophics Cynocinctus। বাংলা নাম ছিটটুল। কালো-হলুদ বলয়যুক্ত লাটিসাপও বলা হয়। হলুদাভ-সবুজ রঙের ওপর কালো কালো চওড়া বলয়। সরু মাথাটা ইংরেজি ‘V’ আকৃতির। স্থলভাগের গোখরার চেয়ে ৮ গুণ শক্তিশালী এদের বিষ। এদের ৩০টি পর্যন্ত বাচ্চা হয়। পাতাল নাগিনী একটানা পাঁচ ঘণ্টা পানির তলায় থাকতে পারে। লেজ চ্যাপ্টা হওয়ায় বৈঠার মতো ব্যবহার করতে পারে। নাকের ওপর আছে স্বয়ংক্রিয় ঢাকনা। মূলত নিশাচর।
হাতে পাওয়া সাপটির লিঙ্গ নির্ণয় করেছিল সরওয়ার পাঠান। মেয়ে সাপ। তানভীরের ধারণা, ওটি ছিল মাঝবয়সী সাপ। লেজসহ সাপটির দৈর্ঘ্য ছিল ৯৬ সেন্টিমিটার। সাধারণত ২০০ সেন্টিমিটার হয়। সরওয়ার সাপটি আগেও দেখেছে। দেখেছে মরা সাপের পেটে থাকা বাচ্চা। সে জানে, সাপটি ডাঙায় এক ঘণ্টার বেশি বাঁচে না। ধরা পড়া সাপটির মাথা থেকে শুরু করে ৩৩ সেন্টিমিটার পর্যন্ত ছিল কালো-হলুদ বলয়। এতেই বোঝা যায়, সাপটি পূর্ণ বয়স্ক নয়। লেজ ছিল ১১ সেন্টিমিটার । মাথা-ঘাড়ের বেড় ছিল তিন সেন্টিমিটার। থুতনি ও গলার নিচে কালো কালো ফোঁটা। পেটের দিকটা দেখতে বেলে মাছের মতো।
বহুকাল থেকে শীতলক্ষ্যায় থাকা পাতাল নাগিনী সাপটি নিয়ে ড. রেজা খান ব্যাপক গবেষণা করতে চেয়েছিলেন। সার কারখানার গরম পানি, অ্যামোনিয়া ও নানা রাসায়নিক বর্জ্য এবং ঘোড়াশাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বর্জ্য ইত্যাদিতে অহরহ দূষিত ও বিষাক্ত হচ্ছে শীতলক্ষ্যার পানি। ২০০৪ সালের ২১-২২ মে এ কারণে চরসিন্দুরসংলগ্ন শীতলক্ষ্যা নদীতে মাছের মড়ক লেগেছিল। কোনো পাতাল নাগিনী মরে ভেসে ওঠেনি সেদিন। তবে পাওয়া গিয়েছিল দুর্লভ ও রহস্যময় একটি মাছকে—যেটির নাম ‘বাহক মাছ’। পাতাল নাগিনী ও বাহক মাছ এই দুটি জলজ প্রাণী নিয়ে ব্যাপক গবেষণার সুযোগ রয়েছে। তবে তার আগে বাঁচাতে হবে শীতলক্ষ্যাকে। টিকিয়ে রাখতে হবে পাতাল নাগিনীর খাদ্য বাইম-চিংড়ি ইত্যাদি মাছকে। জানতে হবে, সাগরের সাপ নদীতে কেন? দূষণ সত্ত্বেও শীতলক্ষ্যায় আজও অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছে এরা। রহস্য উন্মোচনের দায়িত্ব এখন প্রাণী বিজ্ঞানীদের।
শরীফ খান || প্রথম আলো
চরসিন্দুরের সরওয়ার পাঠানের কাছে এই খবরটা শুনে আগ্রহী হই। তাকে বলি একটি নমুনা সংগ্রহ করতে। ১৫ আগস্ট, ২০০৩ সালে বড়শিতে আটকা পড়া একটি সাপ সংগ্রহ করে সে। সাপটি দেখে আমি রোমাঞ্চিত। কিন্তু নানা বইপত্র ঘেঁটেও সাপটিকে শনাক্ত করতে গলদঘর্ম হই। অধ্যাপক কাজী জাকের হোসেন, ড. রেজা খান, ড. রেজাউর রহমানসহ আরও দু-চারজন প্রাণীবিদের সঙ্গে যোগাযোগ করি। আমি ও তানভীর খান প্রায় ৯০ শতাংশ নিশ্চিত হই, পাতল নাগিনী বলে পরিচিত এই সাপটির বসবাস সাগরে। এটি মূলত সামুদ্রিক সাপ। কিন্তু এ রকম একটি সাপ স্থায়ীভাবে শীতলক্ষ্যায় থাকবে কেন? ভেবে কূলকিনারা পাই না। ছবি পাঠাই দুবাইতে। ড. রেজা খান আমাদের প্রায় নিশ্চিত ধারাণাকে শতভাগ নিশ্চিত করে জানান, কোনো সন্দেহ নেই এটি সামুদ্রিক সাপই। ইংরেজি নাম Annulated Sea Snak। বৈজ্ঞানিক নাম Hydrophics Cynocinctus। বাংলা নাম ছিটটুল। কালো-হলুদ বলয়যুক্ত লাটিসাপও বলা হয়। হলুদাভ-সবুজ রঙের ওপর কালো কালো চওড়া বলয়। সরু মাথাটা ইংরেজি ‘V’ আকৃতির। স্থলভাগের গোখরার চেয়ে ৮ গুণ শক্তিশালী এদের বিষ। এদের ৩০টি পর্যন্ত বাচ্চা হয়। পাতাল নাগিনী একটানা পাঁচ ঘণ্টা পানির তলায় থাকতে পারে। লেজ চ্যাপ্টা হওয়ায় বৈঠার মতো ব্যবহার করতে পারে। নাকের ওপর আছে স্বয়ংক্রিয় ঢাকনা। মূলত নিশাচর।
হাতে পাওয়া সাপটির লিঙ্গ নির্ণয় করেছিল সরওয়ার পাঠান। মেয়ে সাপ। তানভীরের ধারণা, ওটি ছিল মাঝবয়সী সাপ। লেজসহ সাপটির দৈর্ঘ্য ছিল ৯৬ সেন্টিমিটার। সাধারণত ২০০ সেন্টিমিটার হয়। সরওয়ার সাপটি আগেও দেখেছে। দেখেছে মরা সাপের পেটে থাকা বাচ্চা। সে জানে, সাপটি ডাঙায় এক ঘণ্টার বেশি বাঁচে না। ধরা পড়া সাপটির মাথা থেকে শুরু করে ৩৩ সেন্টিমিটার পর্যন্ত ছিল কালো-হলুদ বলয়। এতেই বোঝা যায়, সাপটি পূর্ণ বয়স্ক নয়। লেজ ছিল ১১ সেন্টিমিটার । মাথা-ঘাড়ের বেড় ছিল তিন সেন্টিমিটার। থুতনি ও গলার নিচে কালো কালো ফোঁটা। পেটের দিকটা দেখতে বেলে মাছের মতো।
বহুকাল থেকে শীতলক্ষ্যায় থাকা পাতাল নাগিনী সাপটি নিয়ে ড. রেজা খান ব্যাপক গবেষণা করতে চেয়েছিলেন। সার কারখানার গরম পানি, অ্যামোনিয়া ও নানা রাসায়নিক বর্জ্য এবং ঘোড়াশাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বর্জ্য ইত্যাদিতে অহরহ দূষিত ও বিষাক্ত হচ্ছে শীতলক্ষ্যার পানি। ২০০৪ সালের ২১-২২ মে এ কারণে চরসিন্দুরসংলগ্ন শীতলক্ষ্যা নদীতে মাছের মড়ক লেগেছিল। কোনো পাতাল নাগিনী মরে ভেসে ওঠেনি সেদিন। তবে পাওয়া গিয়েছিল দুর্লভ ও রহস্যময় একটি মাছকে—যেটির নাম ‘বাহক মাছ’। পাতাল নাগিনী ও বাহক মাছ এই দুটি জলজ প্রাণী নিয়ে ব্যাপক গবেষণার সুযোগ রয়েছে। তবে তার আগে বাঁচাতে হবে শীতলক্ষ্যাকে। টিকিয়ে রাখতে হবে পাতাল নাগিনীর খাদ্য বাইম-চিংড়ি ইত্যাদি মাছকে। জানতে হবে, সাগরের সাপ নদীতে কেন? দূষণ সত্ত্বেও শীতলক্ষ্যায় আজও অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছে এরা। রহস্য উন্মোচনের দায়িত্ব এখন প্রাণী বিজ্ঞানীদের।
শরীফ খান || প্রথম আলো
8:28 AM
সাপ(Snake)
বালুবোড়া সাপ
বালুবোড়া নিরীহ, নির্বিষ, শ্লথগতির সাপ। স্ত্রী সাপ লম্বায় সাধারণত এক মিটার হয়। পুরুষটি ছোট হয় একটু। লেজসহ লম্বা ঠিক ৬০ সেন্টিমিটার। শুধু লেজ ৫ সেন্টিমিটার। গলার বেড় প্রায় ৬ সেন্টিমিটার। পিঠের বেড় ৭ সেন্টিমিটার। লেজের গোড়ার বেড় ৪ সেন্টিমিটার। এই অতি বিরল সাপটির ইংরেজি নাম Common sand Boa.
এদের খাদ্য তালিকায় আছে ধেনো ইঁদুর, ভরত-পিপিট-ধলটুনি জাতীয় পাখি ও ওদের ডিম-ছানা, ব্যাঙ ইত্যাদি। অজগরের মতো এরাও ওত পেতে থেকে শিকার করে। এরা শিকারকে কাবু করে শরীরের প্যাঁচে ফেলে।
ইঁদুর এদের প্রধান খাদ্য বলে এরা কৃষকের বন্ধু বলে পরিচিত। বালুবোড়াকে অনেক সময় শিশু অজগরও বলা হয়।
বালুবোড়ার আর একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, এই সাপ ডিম পাড়ে না, বাচ্চা প্রসব করে। একত্রে ৫-৭টি বাচ্চা দেয়। জন্মের সময় বাচ্চারা থাকে ৪-৫ ইঞ্চি লম্বা।
তথ্য সূত্রঃ শরীফ খান | প্রথম আলো
এদের খাদ্য তালিকায় আছে ধেনো ইঁদুর, ভরত-পিপিট-ধলটুনি জাতীয় পাখি ও ওদের ডিম-ছানা, ব্যাঙ ইত্যাদি। অজগরের মতো এরাও ওত পেতে থেকে শিকার করে। এরা শিকারকে কাবু করে শরীরের প্যাঁচে ফেলে।
ইঁদুর এদের প্রধান খাদ্য বলে এরা কৃষকের বন্ধু বলে পরিচিত। বালুবোড়াকে অনেক সময় শিশু অজগরও বলা হয়।
বালুবোড়ার আর একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, এই সাপ ডিম পাড়ে না, বাচ্চা প্রসব করে। একত্রে ৫-৭টি বাচ্চা দেয়। জন্মের সময় বাচ্চারা থাকে ৪-৫ ইঞ্চি লম্বা।
তথ্য সূত্রঃ শরীফ খান | প্রথম আলো
5:03 AM
সাপ(Snake)
সাপ
পৃথিবীতে প্রায় ২,৪০০ প্রজাতির সাপ আছে। ৪৫০-এর বেশি প্রজাতির সাপ বিষ বহন করে এবং এর মধ্যে ২৫০ প্রজাতির সাপের কামড়ে মানুষের মৃত্যু হতে পারে। সাপের বিষ মানুষের জন্য খুবই বিপজ্জনক, কারণ রক্ত প্রবাহের মাধ্যমে এটি সারা দেহে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। সাপ দ্বারা সংঘটিত বেশির ভাগ দুর্ঘটনা ঘটে এশিয়া, আফ্রিকা এবং দক্ষিণ আমেরিকায়। বিষাক্ত সাপ দ্বারা বছরে দুর্ঘটনা ঘটে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার। অ্যান্টার্কটিকা ছাড়া সকল মহাদেশেই সাপের উপস্থিতি দেখা যায়। এদের আকার খুবছোট, ১০ সে.মি. ( থ্রেড সাপ ) থেকে শুরু করে সর্বচ্চো ২৫...ফুট বা ৭.৬ মিটার ( অজগর ও অ্যানাকোন্ডা ) পর্যন্ত হতে পারে। সম্প্রতি আবিষ্কৃত টাইটানওবোয়া (Titanoboa) সাপের জীবাশ্ম প্রায় ১৩ মিটার বা ৪৩ ফুট লম্বা।
সব সাপেরই খোলস ছাড়ার একটি অভ্যাস রয়েছে। এর কারণ, সারাজীবন ধরে সাপের দৈহিক বৃদ্ধি সংঘটিত হয়ে থাকে। এমনকি বৃদ্ধ বয়সেও এ প্রক্রিয়াটি চলতে থাকে। তবে, বৃদ্ধ বয়সে বৃদ্ধির প্রক্রিয়াটি ধীর গতিতে চলতে থাকে। দেহ যত বড় বা দীর্ঘ হতে থাকে, ওদের ত্বকের আকারও তত ছোট হতে থাকে। আর এর জন্যই ওরা খোলস ছাড়ে। এক থেকে তিন মাস অন্তর সাপ খোলস পরিত্যাগ করে। অমসৃণ কোনো জায়গায় সাপ নিজের শরীর ঘসে ঘসে তার খোলস পরিত্যাগ করে। এর ফলে পুরোনো খোলসের ভেতরের পাশটি বাইরের দিকে চলে আসে।
****সাপের বিষ****
সাপের বিষ সাপের জন্য বিষাক্ত না হলেও মানুষের জন্য বিষাক্ত, কারনটি বলার পূর্বে জানতে হবে সাপের বিষের সম্বন্ধে।
সাপের বিষ হচ্ছে সাপের লালাগ্রন্থির নিঃসরন(salivary secretion), সাধারন ভাষায় বলতে গেলে সাপের saliva, যা কিনা সাপের শিকার, প্রতিরক্ষা এবং খাদ্য পরিপাকের কাজে ব্যাবহার হয়ে থাকে।
সাপের বিষ অনেক গুলো Enzyme এর দ্বারা তৈরি - যার ভেতর রয়েছে - phospholipidase, protease, hyaluronidase, ATPase, cholinesterase, lecithinase, ribonuclease, deoxyribonuclease প্রমুখ।
!!~~খুব মজার একটি ব্যাপার হচ্ছে, উপরোক্ত enzyme গুলোর অনেকগুলোই আমাদের পরিপাক তন্ত্রে (digestive system) পাওয়া যায়, যা কিনা আমাদের খাদ্য পরিপাকের কাজে সহায়তা করে থাকে!!
এ তথ্য গুলো পড়ে যা কারো মনে এখন এ প্রশ্ন আরো গভীর ভাবে দেখা দেবে, তা হচ্ছে, তবে সাপের বিষ আমাদের জন্য বিষাক্ত কেন?
সাপের বিষ আমাদের জন্য বিষাক্ত হয় তখনি যখন তা আমাদের রক্তে(blood circulation) চলে আসে এবং রক্তের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে শরীরের বিভিন্ন অংশে-অতি দ্রুত, তাই তো তা জীবনের জন্য হুমকি হয়ে দাড়ায়, কেননা enzyme গুলো আমাদের শরীরের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় অংশের ক্ষতি সাধন করে।
সব সাপেরই খোলস ছাড়ার একটি অভ্যাস রয়েছে। এর কারণ, সারাজীবন ধরে সাপের দৈহিক বৃদ্ধি সংঘটিত হয়ে থাকে। এমনকি বৃদ্ধ বয়সেও এ প্রক্রিয়াটি চলতে থাকে। তবে, বৃদ্ধ বয়সে বৃদ্ধির প্রক্রিয়াটি ধীর গতিতে চলতে থাকে। দেহ যত বড় বা দীর্ঘ হতে থাকে, ওদের ত্বকের আকারও তত ছোট হতে থাকে। আর এর জন্যই ওরা খোলস ছাড়ে। এক থেকে তিন মাস অন্তর সাপ খোলস পরিত্যাগ করে। অমসৃণ কোনো জায়গায় সাপ নিজের শরীর ঘসে ঘসে তার খোলস পরিত্যাগ করে। এর ফলে পুরোনো খোলসের ভেতরের পাশটি বাইরের দিকে চলে আসে।
সাপের বিষ সাপের জন্য বিষাক্ত না হলেও মানুষের জন্য বিষাক্ত, কারনটি বলার পূর্বে জানতে হবে সাপের বিষের সম্বন্ধে।
সাপের বিষ হচ্ছে সাপের লালাগ্রন্থির নিঃসরন(salivary secretion), সাধারন ভাষায় বলতে গেলে সাপের saliva, যা কিনা সাপের শিকার, প্রতিরক্ষা এবং খাদ্য পরিপাকের কাজে ব্যাবহার হয়ে থাকে।
সাপের বিষ অনেক গুলো Enzyme এর দ্বারা তৈরি - যার ভেতর রয়েছে - phospholipidase, protease, hyaluronidase, ATPase, cholinesterase, lecithinase, ribonuclease, deoxyribonuclease প্রমুখ।
!!~~খুব মজার একটি ব্যাপার হচ্ছে, উপরোক্ত enzyme গুলোর অনেকগুলোই আমাদের পরিপাক তন্ত্রে (digestive system) পাওয়া যায়, যা কিনা আমাদের খাদ্য পরিপাকের কাজে সহায়তা করে থাকে!!
এ তথ্য গুলো পড়ে যা কারো মনে এখন এ প্রশ্ন আরো গভীর ভাবে দেখা দেবে, তা হচ্ছে, তবে সাপের বিষ আমাদের জন্য বিষাক্ত কেন?
সাপের বিষ আমাদের জন্য বিষাক্ত হয় তখনি যখন তা আমাদের রক্তে(blood circulation) চলে আসে এবং রক্তের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে শরীরের বিভিন্ন অংশে-অতি দ্রুত, তাই তো তা জীবনের জন্য হুমকি হয়ে দাড়ায়, কেননা enzyme গুলো আমাদের শরীরের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় অংশের ক্ষতি সাধন করে।
3:39 PM
সাপ(Snake)
কেউটে সাপ
বাংলাদেশের বনজঙ্গল, বাগবাগিচা, বিল-ঝিল, গ্রাম এমনকি শহরেও গোখরো প্রজাতির দুটো উপপ্রজাতি দেখতে পাওয়া যায়। সাপুড়েদের কল্যাণে পদ্মগোখরো বা খরিশ সাপটি প্রায় সবাই চেনে। সাপুড়েদের কাছেই আরেকটি গোখরো অনেকেই দেখে থাকবে। সাপুড়েরা একে কেউটে বা কালিগোখরো নামে পরিচিত করায়। কেউটে পদ্মগোখরোর মতোই ফণা তোলা সাপ। তবে এর ফণা পদ্মগোখরোর মতো অতটা চওড়া নয়। কেউটে দেখতে অনেক গাঢ় বর্ণের। ফণায় পদ্মগোখরোর যেমন সাদাটে ইংরেজি ‘ইউ’ অক্ষরের মতো দাগ রয়েছে, কেউটের ফণায় ইংরেজি ‘ও’ অক্ষরের মতো দাগ রয়েছে।
পদ্মগোখরো শুকনো এলাকা পছন্দ করে। পুরোনো বাড়িঘর, উইয়ের ঢিবি, ইটের পাঁজা, মাটির ঘরে ইঁদুরের গর্ত গোখরোর পছন্দের জায়গা। কেউটে জলার ধার বা ভেজা এলাকা পছন্দ করে। এ জন্য দক্ষিণ বাংলায় কেউটের প্রাদুর্ভাব বেশি।
ফণায় অলংকরণের বৈচিত্র্য, নির্মোক ছাড়ানোর পর বর্ণবাহার, বাদামি হলদে থেকে কুচকুচে কালো রঙের হওয়ায় কেউটের প্রচুর নাম বাংলা-ইংরেজি ভাষায় পাওয়া যায়। চলতি ইংরেজি নাম মনোসিলেট কোবরা। কিন্তু ঊনবিংশ শতাব্দীর ইংরেজ আমলাদের বর্ণনায় ‘কোবরা ডি কোপোলো’ বা ‘বেঙ্গল কোবরা’ হিসেবে কেউটের উল্লেখ পাওয়া যায়। গত শতাব্দীর ষাটের দশক পর্যন্ত ইংরেজ বা আধখেঁচড়া বাঙালি সাহেবরা বুটের ওপর পট্টি পরতেন পদ্মগোখরো ও কেউটের কামড় সামলাতে।
কেউটের বাংলা নাম নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে যথাক্রমে হানক, পানাস ও আলোদ। যশোর-খুলনায় বলা হয় পদ্মকেউটে, আলকেউটে, কালকেউটে, বাঁশবুনে কেউটে ইত্যাদি। অনেক সাপবিজ্ঞানী কালাজ সাপকে (krait) কেউটে বলে উল্লেখ করেছেন ভুল করে।
সুন্দরবনে কেউটে বহুবার দেখেছি। এগুলো ভিন্ন প্রজাতির কি না জানি না। ছোট থেকে বড়—এদের সবারই রং গাঢ় বাদামি অথবা কালো। ফণার নিচে একটি বা পাশাপাশি দুটি সাদা বলয় আছে। কোনো কোনো সাপের সারা দেহেই খানিক দূরত্ব রেখে অস্পষ্ট আঁশের বলয় দেখা যায়। কেউটে লম্বায় গোখরোর চেয়ে সামান্য বড় হয়। এদের ল্যাটিন নাম Naja kaouthia নেওয়া হয়েছে সম্ভবত কেউটে নাম থেকে।
জঙ্গল ও হোগলা, নলখাগড়ার জলাভূমি থাকলেই সেখানে কেউটে সাপ আবাস করে নেবে। অন্যান্য সব সাপের মতো কেউটেও জ্যান্ত প্রাণী খায়। ছোট স্তন্যপায়ী, পাখি, ডিম, সাপ, ব্যাঙ, মুরগির ছানা, মাছ, কীট-পতঙ্গও কেউটের খাদ্যতালিকায় রয়েছে। তবে শীতল রক্তের মাছ ও ব্যাঙ কেউটে খুব ক্ষুধার্ত না হলে ধরে না।
অন্যান্য ইলাপিডি গোত্রের (বাংলায় চৌসাপা গোত্র) প্রজাতিগুলোর মতো কেউটের বিষদাঁতও সামনের দিকে অবস্থিত। আকারে ছোট অনেকটা কুলের কাঁটার মতো ভেতরের দিকে বাঁকানো। দাঁতের সামনের দিক নালিকাটা। এই নালি বিষথলির সঙ্গে যুক্ত। কেউটে ঘাপটি মেরে, কখনো তাড়িয়ে শিকার ধরে। কেউটের মারাত্মক মারণ বিষে প্রায় ১২টি এনজাইম (দেহকোষের জৈব রাসায়নিক পদার্থবিশেষ) রয়েছে। ছোট শিকার কেউটে কামড়ে ধরে রাখে, কম ক্ষেত্রে পেঁচিয়ে ধরে। বিষের তীব্রতা এত বেশি যে ছোট স্তন্যপায়ী তিন-চার মিনিটে অবশ হয়ে যায়। তবে ব্যাঙ মারতে সময় লাগে।
কেউটে নিশাচর সাপ হলেও মেঘলা দিনে খাবারের খোঁজে বের হয়ে পড়ে। ছোট কেউটে সাপখেকো ইগলের হাতে ধরা পড়লেও বড় আকারের কেউটেকে কেউ ঘাঁটাতে চায় না। গরমের সময় মার্চ থেকে জুলাই মাস কেউটে ডিম পাড়া ও বাচ্চা তোলায় ব্যয় করে।
কেউটের বিষ মানুষের জন্য প্রাণঘাতী। কামড়ের সঙ্গে সঙ্গে দংশিত স্থানে ভয়ঙ্কর জ্বালাপোড়া হয়। বিষ স্নায়ুবিধ্বংসী বলে মাংসপেশি, হূদযন্ত্রের সঞ্চালন ক্রিয়া অবশ করে দেয়। ফলে মানুষের ঠোঁট, চোখের তলা, হাত-পা ঝুলে পড়ে। অ্যান্টিভেনিন চিকিৎসা না হলে বিষ ঢোকার পরিমাণ অনুযায়ী এক থেকে তিন ঘণ্টায় রোগী মারা যেতে পারে।
বিষধর সাপ কাউকে কামড়ালে তাকে নির্বিষ করতে সাপুড়ে কোনো কাজে আসে না। দেশে সর্পাঘাতে মৃত্যুর একটা বড় অংশের জন্য দায়ী কেউটে। সুন্দরবন কেউটে সাপের আড়ত। অথচ সেখানে কেউটের হাতে মৃত্যুর হার অত্যন্ত কম। প্রকৃত পক্ষে বন্যার সময় বাস্তু হারিয়ে কেউটে মানুষের ঘরে আশ্রয় নেয়। তখনই দংশনের ঘটনা বাড়ে।
**খসরু চৌধুরী**
পদ্মগোখরো শুকনো এলাকা পছন্দ করে। পুরোনো বাড়িঘর, উইয়ের ঢিবি, ইটের পাঁজা, মাটির ঘরে ইঁদুরের গর্ত গোখরোর পছন্দের জায়গা। কেউটে জলার ধার বা ভেজা এলাকা পছন্দ করে। এ জন্য দক্ষিণ বাংলায় কেউটের প্রাদুর্ভাব বেশি।
ফণায় অলংকরণের বৈচিত্র্য, নির্মোক ছাড়ানোর পর বর্ণবাহার, বাদামি হলদে থেকে কুচকুচে কালো রঙের হওয়ায় কেউটের প্রচুর নাম বাংলা-ইংরেজি ভাষায় পাওয়া যায়। চলতি ইংরেজি নাম মনোসিলেট কোবরা। কিন্তু ঊনবিংশ শতাব্দীর ইংরেজ আমলাদের বর্ণনায় ‘কোবরা ডি কোপোলো’ বা ‘বেঙ্গল কোবরা’ হিসেবে কেউটের উল্লেখ পাওয়া যায়। গত শতাব্দীর ষাটের দশক পর্যন্ত ইংরেজ বা আধখেঁচড়া বাঙালি সাহেবরা বুটের ওপর পট্টি পরতেন পদ্মগোখরো ও কেউটের কামড় সামলাতে।
কেউটের বাংলা নাম নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে যথাক্রমে হানক, পানাস ও আলোদ। যশোর-খুলনায় বলা হয় পদ্মকেউটে, আলকেউটে, কালকেউটে, বাঁশবুনে কেউটে ইত্যাদি। অনেক সাপবিজ্ঞানী কালাজ সাপকে (krait) কেউটে বলে উল্লেখ করেছেন ভুল করে।
সুন্দরবনে কেউটে বহুবার দেখেছি। এগুলো ভিন্ন প্রজাতির কি না জানি না। ছোট থেকে বড়—এদের সবারই রং গাঢ় বাদামি অথবা কালো। ফণার নিচে একটি বা পাশাপাশি দুটি সাদা বলয় আছে। কোনো কোনো সাপের সারা দেহেই খানিক দূরত্ব রেখে অস্পষ্ট আঁশের বলয় দেখা যায়। কেউটে লম্বায় গোখরোর চেয়ে সামান্য বড় হয়। এদের ল্যাটিন নাম Naja kaouthia নেওয়া হয়েছে সম্ভবত কেউটে নাম থেকে।
জঙ্গল ও হোগলা, নলখাগড়ার জলাভূমি থাকলেই সেখানে কেউটে সাপ আবাস করে নেবে। অন্যান্য সব সাপের মতো কেউটেও জ্যান্ত প্রাণী খায়। ছোট স্তন্যপায়ী, পাখি, ডিম, সাপ, ব্যাঙ, মুরগির ছানা, মাছ, কীট-পতঙ্গও কেউটের খাদ্যতালিকায় রয়েছে। তবে শীতল রক্তের মাছ ও ব্যাঙ কেউটে খুব ক্ষুধার্ত না হলে ধরে না।
অন্যান্য ইলাপিডি গোত্রের (বাংলায় চৌসাপা গোত্র) প্রজাতিগুলোর মতো কেউটের বিষদাঁতও সামনের দিকে অবস্থিত। আকারে ছোট অনেকটা কুলের কাঁটার মতো ভেতরের দিকে বাঁকানো। দাঁতের সামনের দিক নালিকাটা। এই নালি বিষথলির সঙ্গে যুক্ত। কেউটে ঘাপটি মেরে, কখনো তাড়িয়ে শিকার ধরে। কেউটের মারাত্মক মারণ বিষে প্রায় ১২টি এনজাইম (দেহকোষের জৈব রাসায়নিক পদার্থবিশেষ) রয়েছে। ছোট শিকার কেউটে কামড়ে ধরে রাখে, কম ক্ষেত্রে পেঁচিয়ে ধরে। বিষের তীব্রতা এত বেশি যে ছোট স্তন্যপায়ী তিন-চার মিনিটে অবশ হয়ে যায়। তবে ব্যাঙ মারতে সময় লাগে।
কেউটে নিশাচর সাপ হলেও মেঘলা দিনে খাবারের খোঁজে বের হয়ে পড়ে। ছোট কেউটে সাপখেকো ইগলের হাতে ধরা পড়লেও বড় আকারের কেউটেকে কেউ ঘাঁটাতে চায় না। গরমের সময় মার্চ থেকে জুলাই মাস কেউটে ডিম পাড়া ও বাচ্চা তোলায় ব্যয় করে।
কেউটের বিষ মানুষের জন্য প্রাণঘাতী। কামড়ের সঙ্গে সঙ্গে দংশিত স্থানে ভয়ঙ্কর জ্বালাপোড়া হয়। বিষ স্নায়ুবিধ্বংসী বলে মাংসপেশি, হূদযন্ত্রের সঞ্চালন ক্রিয়া অবশ করে দেয়। ফলে মানুষের ঠোঁট, চোখের তলা, হাত-পা ঝুলে পড়ে। অ্যান্টিভেনিন চিকিৎসা না হলে বিষ ঢোকার পরিমাণ অনুযায়ী এক থেকে তিন ঘণ্টায় রোগী মারা যেতে পারে।
বিষধর সাপ কাউকে কামড়ালে তাকে নির্বিষ করতে সাপুড়ে কোনো কাজে আসে না। দেশে সর্পাঘাতে মৃত্যুর একটা বড় অংশের জন্য দায়ী কেউটে। সুন্দরবন কেউটে সাপের আড়ত। অথচ সেখানে কেউটের হাতে মৃত্যুর হার অত্যন্ত কম। প্রকৃত পক্ষে বন্যার সময় বাস্তু হারিয়ে কেউটে মানুষের ঘরে আশ্রয় নেয়। তখনই দংশনের ঘটনা বাড়ে।
**খসরু চৌধুরী**
6:41 AM
সাপ(Snake)
কুকরি সাপ
নেপালের এক ধরণে ছোট ছুরির নাম কুকরি। হিমালয়ের একটি বিশেষ সাপের নাম কুকরি। কুকরির মতো ধারালো দাঁত আছে বলেই এই সাপের নাম কুকরি (Kukri)। কয়েকটি প্রজাতির কুকরি পাওয়া যায়, হিমালযের কুকরির বৈজ্ঞানিক নাম Oligodon nikhili। এরা লম্বায় ৩৫ ইঞ্চি পর্যন্ত হয়। পাখি ও অন্যান্য সরিসৃপের ডিম এদেও প্রধান খাদ্য। বিভিন্ন রঙের কুকরি দেখা যায়। এদের গায়ে ডোরাকাটা দাগ থাকে। এরা লোকালয় থেকে দূরে ঘন বনে বাস করে।
1:42 AM
সাপ(Snake)
অজগর
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সাপের খেতাব দক্ষিণ আমেরিকার জঙ্গলের অ্যানাকোন্ডার দখলে হলেও এশিয়ার সবচেয়ে বড় সাপ অজগর। অজগরের দুটি প্রজাতির দেখা পাবেন এ দেশে। একটি ময়াল বা রক পাইথন, অপরটি গোলবাহার। একেকটা অজগর লম্বায় ১৫-১৬ ফুট। ৩০ ফুট বা তারও বেশি লম্বা অজগরও পাওয়া গেছে। বন্য প্রাণী পানি খেতে আসে এমন জলা বা ছড়ার ধারে লুকিয়ে থাকে এরা। কোনো প্রাণীকে বাগে পেলেই পেঁচিয়ে ধরে দম বন্ধ করে মেরে ফেলে। তারপর গোটা দেহটা গিলে ফেলে। এরা বিষহীন আদিম সাপ।
জল-স্থল দুই জায়গাতেই এদের অবাধ বিচরণ। এরা থাকতে ভালোবাসে স্যাঁতসেঁতে জায়গা এবং জলাভূমির ধারে। গাছ বাওয়া আর লেজ দিয়ে গাছ আঁকড়ে ঝুলে থাকাও ভারি পছন্দ। স্তন্যপায়ী, সরীসৃপ, পাখি_কোনো কিছুতেই অরুচি নেই। তবে ইঁদুর, ভেড়া, ছাগল, হরিণ, শূকর প্রভৃতি স্তন্যপায়ী প্রাণী হলে ভোজটা জমে বেশি। একসময় বাংলাদেশের প্রায় সব জায়গায় পাওয়া গেলেও এরা এখন টিকে আছে সুন্দরবন, পার্বত্য চট্টগ্রাম, সিলেট এবং মধুপুরসহ আরো কিছু বনে।
1:16 AM
সাপ(Snake)
তাইপে
“পৃথিবীর সবচে বিষধর সাপ”-এর খেতাব আন্তর্দেশীয় (আভ্যন্তরীন/স্থলভাগের) তাইপে (Taipan)।যার একটা মাত্র ছোবলে ১০০জন পূর্ণ বয়স্ক মানুষ অথবা ২,৫০,০০০ সংখ্যক একটা বিরাট দলের ইঁদুর নিধন করার জন্য যথেষ্ট। এর বিষে সধারণ কোবরা থেকে ২০০থেকে ৪০০ ভাগ বেশি পরিমান টক্সিক থাকে যা মাত্র ৪৫ মিনিটের মধ্যে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষকে মারতে সক্ষম। যদিও এই প্রজাতি সাপ খুবই লাজুক প্রকৃ্তির এবং কোথাও এর দ্বারা সংঘটিত মানুষের প্রাণনাশের মত বিপর্যয়ের কোন প্রামাণ্য দলিল নেই।
এদের তিন(৩)টি প্রজাতি দেখা যায়।১.
Inland Taipan (Oxyuranus microlepidotus)
২.
coastal taipan (Oxyuranus scutellatus)
৩.
Central Ranges taipan (Oxyuranus temporalis)
3:41 PM
সাপ(Snake)
ব্ল্যাক মাম্বা
ব্ল্যাক মাম্বা (ইংরেজি ভাষায়: Black Mamba) (Dendroaspis polylepis), এলাপিড পরিবারভুক্ত এক প্রজাতির বিষধর সাপ। এটি আফ্রিকার সবচেয়ে বিপজ্জনক ও ভয়ংকর সাপ। আফ্রিকার একটি বড় অঞ্চলজুড়ে এই সাপের বিস্তৃতি লক্ষ করা যায়। ব্ল্যাক মাম্বা দেখা যায় ইথিওপিয়া, কেনিয়া, বতসোয়ানা, উগান্ডা, জাম্বিয়া, জিম্বাবুয়ে, অ্যাঙ্গোলা, নামিবিয়া, মালাউই, মোজাম্বিক, সোয়াজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, এবং কঙ্গোতে। সাভানা অঞ্চল, কাষ্ঠল বণাঞ্চল, এবং শিলাময় অঞ্চলে এদের দেখা যায়।এরা নিজেরা হুমকির সম্মুখীন হলে আক্রমণাত্মক হয়ে যায়, এবং মরণঘাতী দংশন করতে দ্বিধা করে না।
আকৃতি দিক থেকে ব্ল্যাক মাম্বা আফ্রিকার সর্ব বৃহৎ, এবং বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিষধর সাপ হিসেবে চিহ্নিত। একটি পূর্ণ বয়স্ক ব্ল্যাক মাম্বার দৈর্ঘ গড়ে প্রায় ২.৫ মিটার এবং সর্বোচ্চ ধৈর্ঘ ৪.৩ মিটার। ব্ল্যাক মাম্বা থেকে বড় পৃথিবীর একমাত্র প্রজাতির বিষধর সাপটির নাম শঙ্খচূড় বা কিং কোবরা, যা দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের সাপ। আর বনাঞ্চলে দেখতে পাওয়া এই সাপটির অন্যতম একটি এন্ডেমিক বাসস্থান হচ্ছে সুন্দরবন। অন্যান্য সরীসৃপের মতোই ব্ল্যাক মাম্বা শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য বাহ্যিক তাপের ওপর নির্ভরশীল।ব্ল্যাক মাম্বা নামটি একটি ভুল পথ নির্দেশনামূলক কারণ, সাপটির ত্বকের সত্যিকারের রং কালো নয়, বরং গাঢ় ধূসর জলপাই রংয়ের। যদিও জীবনের প্রথমভাগে এটিও থাকে না। তবে বয়স বাড়ার সাথে সাথে এই সাপের ত্বকের রং গাঢ় হতে থাকে। এদের নামের সাথে ব্ল্যাক বা কালো যুক্ত হওয়ার কারণ হিসেবে ধারণা করা হয় এদের কুচকুচে কালো মুখকে। এদের মুখের ভেতরটা পুরোটা গাঢ় কালো রংয়ের। ব্ল্যাক মাম্বা পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রুতগামী সাপ হিসেবে চিহ্নিত। দাবী করা হয় এদের কিছু প্রজাতি ঘন্টায় ১৯.৫ কিলোমিটার বেগে চলাচল করতে পারে।
আকৃতি দিক থেকে ব্ল্যাক মাম্বা আফ্রিকার সর্ব বৃহৎ, এবং বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিষধর সাপ হিসেবে চিহ্নিত। একটি পূর্ণ বয়স্ক ব্ল্যাক মাম্বার দৈর্ঘ গড়ে প্রায় ২.৫ মিটার এবং সর্বোচ্চ ধৈর্ঘ ৪.৩ মিটার। ব্ল্যাক মাম্বা থেকে বড় পৃথিবীর একমাত্র প্রজাতির বিষধর সাপটির নাম শঙ্খচূড় বা কিং কোবরা, যা দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের সাপ। আর বনাঞ্চলে দেখতে পাওয়া এই সাপটির অন্যতম একটি এন্ডেমিক বাসস্থান হচ্ছে সুন্দরবন। অন্যান্য সরীসৃপের মতোই ব্ল্যাক মাম্বা শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য বাহ্যিক তাপের ওপর নির্ভরশীল।ব্ল্যাক মাম্বা নামটি একটি ভুল পথ নির্দেশনামূলক কারণ, সাপটির ত্বকের সত্যিকারের রং কালো নয়, বরং গাঢ় ধূসর জলপাই রংয়ের। যদিও জীবনের প্রথমভাগে এটিও থাকে না। তবে বয়স বাড়ার সাথে সাথে এই সাপের ত্বকের রং গাঢ় হতে থাকে। এদের নামের সাথে ব্ল্যাক বা কালো যুক্ত হওয়ার কারণ হিসেবে ধারণা করা হয় এদের কুচকুচে কালো মুখকে। এদের মুখের ভেতরটা পুরোটা গাঢ় কালো রংয়ের। ব্ল্যাক মাম্বা পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রুতগামী সাপ হিসেবে চিহ্নিত। দাবী করা হয় এদের কিছু প্রজাতি ঘন্টায় ১৯.৫ কিলোমিটার বেগে চলাচল করতে পারে।
3:30 PM
সাপ(Snake)
কিং কোবরা
ডিম পাড়ার আগে স্ত্রী শঙ্খচূড় তা শরীর পাকিয়ে কুণ্ডুলী তৈরি করে, এবং তা মৃত পাতা ব্যবহার করে উঁচু ঢিপির মতো তৈরি করেন। পরবর্তীতে সেখানে ২০ থেকে ৪০টির মতো ডিম পাড়া হয়। কুন্ডুলী পাকানো দেহটি ইউকিউবেটরের মতো কাজ করে। বাচ্চা ফোটার আগ পর্যন্ত শঙ্খচূড় তাঁর ঢিপিটিকে বিরামহীনভাবে পাহার দিতে থাকে, এবং কোনো প্রাণী যেনো কাছে আসতে না পারে, সেদিকে লক্ষ্য রাখে।
ঢিপির মধ্যে প্রায় ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ডিমগুলোকে তা দেওয়া হয়। বাচ্চা ফোটার পর তা নিজে নিজেই ডিমের খোলস ভেঙে বেরিয়ে যায় এবং নিজেই নিজের শিকার খুঁজতে থাকে, এজন্য মাকে তাঁর নিজের বাচ্চা ভক্ষণ করতে হয় না।শিশু শঙ্খচূড়ের দৈর্ঘ হয় প্রায় ৫৫ সেন্টিমিটার এবং এদের বিষ প্রাপ্তবয়স্কদের মতোই মৃত্যুঘাতী।
শঙ্খচূড় এলাপিডি পরিবারভুক্ত একটি সাপ। ইউরোপ ও এন্টার্কটিকা ব্যতীত এই পরিবারে সারা পৃথিবীতে প্রায় ২০০-এর বেশি প্রজাতি দেখা যায়। এদের সবগুলোই বিষধর, এবং এদের সবারই ছোট, স্থায়ী বিষদাঁত রয়েছে। কিন্তু অঞ্চলভেদে এদের মধ্যে বাসস্থান, আচরণ, এবং বর্ণ ও গঠনগত অনেক পার্থক্য দেখা যায়। এলাপিডি পরিবারভুক্ত চারটি খুবই প্রচলিত সাপ হচ্ছে কোরাল সাপ, ডেথ অ্যাডার, ব্ল্যাক মাম্বা, এবং শঙ্খচূড়।
3:24 PM
সাপ(Snake)
Subscribe to:
Posts
(
Atom
)




















.jpg)
.jpg)





