Showing posts with label গিরগিটি(Lizard). Show all posts
Showing posts with label গিরগিটি(Lizard). Show all posts
সবুজ ব্যাসিলিস্ক
সবুজ ব্যাসিলিস্ক গিরগিটি পা ও লেজ ব্যবহার করে অনায়েশে পানির উপর দিয়ে দৌড়ে অল্প দূরত্বের পথ অতিক্রম করতে পারে। এরা দক্ষ সাঁতারু, এমনকি প্রয়োজনে এক টানা ৩০ মিনিট পর্যন্ত পানির নিচে ডুবে থাকতে পারে ।
Green Basilisk বা সবুজ ব্যাসিলিস্ক গিরগিটি দেখতে পিঠের দিকে ছোট নীলাভ দাগের সঙ্গে উজ্জ্বল সবুজ। লেজে হলদে সবুজ ও কালচে বলয় আছে । মাথায় পিঠ ও লেজের গোরার দিকে পালের-মত বাড়তি অংশ আছে। সবুজ ব্যাসিলিস্ক আকারে দেহ ৩ ফুট পর্যন্ত হতে পারে। ওজন প্রায় ২০০ গ্রাম পর্যন্ত হতে পারে । এদের খাদ্য তালিকায় আছে পোকামাকড়, গিরগিটি, পাখি, সাপ, ফল ও ফুল।
পুরুষ সবুজ ব্যাসিলিস্ক গিরগিটি টেরাটরিয়াল হয়। একটি পুরুষ সবুজ ব্যাসিলিস্ক গিরগিটির অধীনে বেশকটি স্ত্রী সবুজ ব্যাসিলিস্ক থাকে। সবুজ ব্যাসিলিস্ক স্ত্রী গরম, স্যাঁতসেঁতে বালি বা মাটির মধ্যে একসাথে ৫ থেকে ১৫ টি পর্যন্ত ডিম দেয় । ৮ থেকে ১০ সপ্তাহ পরে ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয় । সবুজ ব্যাসিলিস্ক বাচ্চারা জন্মের পর থেকেই স্বাধীন ভাবে জীবন যাপন করে।
এদের বাস মেক্সিকো থেকে ইকুয়েডর বনাঞ্চলে।
লেখা – ঋজু আজম
3:23 AM
গিরগিটি(Lizard)
অঞ্জন
অঞ্জন যার ইংরেজী নাম Common Skink। লিজার্ড প্রজাতির এই প্রাণীটি বাংলাদেশের সব অঞ্চলেই আছে। মসৃণ চকচকে এদের শরীর। ১২.৫ সেমি পর্যন্ত হয। স্বভাবে এরা খুব নিরীহ। অঞ্জন মানুষের কোন ক্ষতি করেনা বরং ছোট পোকামাকড় খেয়ে পরিবেশ ও কৃষির উপকার করছে প্রতিনিয়ত।
এরা কাঠ ইটপাথরের স্কুপের ফাঁকফোকরে থাকে। ঘাস বুনটের মাঝেও এদের থাকতে দেখা যায়।লেখা ও ছবি- ঋজু আজম
6:30 AM
গিরগিটি(Lizard)
রক্তচোষা
নামটা বেশ ভয়ংকর মনে হোলেও রক্তচোষা মোটেও কার রক্ত চুষে খায় না । এরা কোন কিছুকে ভয় পেলে বা ভয় দেখাতে মাথা , ঘার , গলা রক্তের মত লালবর্ণ ধারণ করে । তাই দেখে আমরা ছোটবেলায় মনে করতাম দূর থেকে আমাদের রক্ত চুষে নিচ্ছে রক্তচোষা । হাতের কেনি আঙ্গুল মুখে নিয়ে আমরাও চোষা শুরু করতাম দিগুণ শক্তি নিয়ে, রক্ত ফিরিয়ে আনার আশায় । দূর থেকে রক্তচোষা যখন মনে করত কোন বিপদ নেই , আস্তে আস্তে তার গায়ের রঙ স্বাভাবিক হয়ে যেত ফলে আমরা মনে করতাম রক্তচোষা আমাদের কাছে হেরে গেছে । আমরা রক্ত ফিরিয়ে আনতে পেরেছি ।
সরীসৃপ জাতিয় এই প্রাণীটি দেখতে টিকটিকির মত , এর শরীর খশখশে ছোট বাদামী-ধূসর আঁশে আবৃত । প্রয়োজনে এই আশের রঙ, রক্তচোষা সাময়িক ভাবে পরিবর্তন করে লালবর্ণ করতে পারে । স্ত্রী রক্তচোষার গায়ের রঙ ধূসর বেশী । পেটের পাশ দিয়ে হলদে বাদামী রেখার-মত আছে । রক্তচোষার দেহের মাপ ১২ সেমি । লেজ দেহের আকারের চেয়ে অনেক বড় ৩২ সেমি হয় ।
রক্তচোষা ঝোপঝাড় , বাগান , খোলা-মাঠ , পুড়ন দালানকোঠায় ও বনে বাস করে । শীতকালে এদের ঝোপঝাড়ের ডালের উপর লম্বা হয়ে শুয়ে রোদ পোহাতে দেখা যায় । রক্তচোষা পোকামাকড় , পোকামাকড়ের ডিম খায় । এদের শিকারের পদ্ধতি অদ্ভুত । এরা পোকার গায়ে মুখের মধ্যে গুছিয়ে রাখা জিহ্বা ছুড়ে মারে , জিহ্বার ডগায় আঠাল অংশে পোকা আটকে গেলে অমনি মুখের ভিতরে নিয়ে আসে । যা হয় মাত্র সেকেন্ডের মধ্যাই । রক্তচোষা দ্রুত চলাফেরা করতে পারে। এক গাছ থেকে অন্য গাছের দালে লাফিয়ে যেতে পারে , এমনকি পানির উপর দ্রুত দৌড় দিয়ে পাড় হতে পারে । এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর এরেদ প্রজনন মৌসুম । এ সময় পুরুষ রক্তচোষা টেরাটরিয়াল হয়ে ওঠে । নিজ এলাকায় কোন পুরুষ রক্তচোষাকে প্রবেশ করতে দেয়না । এলেই যুদ্ধ । স্ত্রী রক্তচোষা ৬ থেকে ২৫ টি পর্যন্ত ডিম দিয়ে থাকে ।
বদলোক বা বদশাসশক কে আমরা অনেক সময় রক্তচোষা বলি । কিন্তু এই প্রাণীটির নাম রক্তচোষা হলেও এরা আমাদের প্রকৃতি ও পরিবেশের জন্য অত্যন্ত উপকারী প্রাণী সেই সাথে আমাদের কৃষিতেও এর অবদান অপরিসীম। ফসলের ক্ষতিকারক পোকামাকড় খেঁক রক্তচোষা নিরাপদে নেই আমাদের রক্তচোষা কর্মকাণ্ড থেকে । নিজ প্রয়োজনে আমরা নির্বিচারে ধ্বংস করছি নিরীহ রক্তচোষাদের আবাস । ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছি সমগ্র প্রাণ প্রকৃতিকে ।
লেখা – ঋজু আজম
ছবি – টিটু ভাই ও ইন্টারনেট
12:16 AM
গিরগিটি(Lizard)
তুয়াতারা
আশ্চর্য এক প্রাণী তুয়াতারা। যার বয়স ২০ কোটি বছর। এখনো এ প্রাণীটি বেঁচে আছে। বিজ্ঞানীরা তাই অবাক হয়ে তুয়াতারার নাম দিয়েছেন জীবন্ত জীবাশ্ম। যেমন এ নামে ডাকা হতো সিলাকনথ মাছকে। তেরো কোটি বছর আগের মাছটি জীবিতাবস্থায় প্রথম ধরা পড়েছিল ১৯৩৮ সালে মাদাগাস্কারের উপকূলে।
তুয়াতারাকে নিয়ে বিস্ময়ের অন্ত নেই। ডাইনোসরদের চেয়ে অন্তত সাড়ে বারো কোটি বছর আগে এ প্রাণীটি জন্ম নিয়েছিল পৃথিবীতে। আকারে এক ফুট লম্বা। সরীসৃপ জাতীয় প্রাণী। অবাক কাণ্ড, তুয়াতারার কোনো দাঁত বা কান নেই। অনেক সময় ইচ্ছামতো নিজেদের শরীর থেকে লেজ খসিয়ে ফেলে। এই তুয়াতারাদের শুধুমাত্র দেখতে পাওয়া যায় নিউজিল্যান্ডের উপকূলে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের চিড়িয়াখানাগুলো সংগ্রহ করতে চায় এ প্রাণীকে। তখন অনুরোধ জানানো হয় নিউজিল্যান্ডের কর্তৃপক্ষকে। অনেক সময় বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য বা অন্য কোনো দুষ্প্রাপ্য প্রাণীর বিনিময় প্রথায় তুয়াতারাকে পাঠানো হয় দেশের বাইরে। যখন এ প্রাণীটিকে দেশের বাইরে পাঠানোর প্রয়োজন হয় তখন নিউজিল্যান্ডের অধিবাসী মাউরিরা কিছু আচার-অনুষ্ঠান পালন করে। ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে এরা উপস্থিত থাকে তুয়াতারার বিদায় এবং গন্তব্যস্থলে। তুয়াতারা যদি বিমানে করে অন্য দেশে যায় তখন প্রথা অনুযায়ী তার সঙ্গে একজন প্রবীণ আদিবাসীও যায়। মাউরিরা তুয়াতারাকে ভীষণ শ্রদ্ধা করে। তারা মনে করে এ প্রাণীটি খুব পবিত্র। তাদের পূর্ব পুরুষদের আত্মার সঙ্গে এ প্রাণীর অস্তিত্ব মিশে আছে।
আমিন রহমান নবাব
তুয়াতারাকে নিয়ে বিস্ময়ের অন্ত নেই। ডাইনোসরদের চেয়ে অন্তত সাড়ে বারো কোটি বছর আগে এ প্রাণীটি জন্ম নিয়েছিল পৃথিবীতে। আকারে এক ফুট লম্বা। সরীসৃপ জাতীয় প্রাণী। অবাক কাণ্ড, তুয়াতারার কোনো দাঁত বা কান নেই। অনেক সময় ইচ্ছামতো নিজেদের শরীর থেকে লেজ খসিয়ে ফেলে। এই তুয়াতারাদের শুধুমাত্র দেখতে পাওয়া যায় নিউজিল্যান্ডের উপকূলে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের চিড়িয়াখানাগুলো সংগ্রহ করতে চায় এ প্রাণীকে। তখন অনুরোধ জানানো হয় নিউজিল্যান্ডের কর্তৃপক্ষকে। অনেক সময় বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য বা অন্য কোনো দুষ্প্রাপ্য প্রাণীর বিনিময় প্রথায় তুয়াতারাকে পাঠানো হয় দেশের বাইরে। যখন এ প্রাণীটিকে দেশের বাইরে পাঠানোর প্রয়োজন হয় তখন নিউজিল্যান্ডের অধিবাসী মাউরিরা কিছু আচার-অনুষ্ঠান পালন করে। ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে এরা উপস্থিত থাকে তুয়াতারার বিদায় এবং গন্তব্যস্থলে। তুয়াতারা যদি বিমানে করে অন্য দেশে যায় তখন প্রথা অনুযায়ী তার সঙ্গে একজন প্রবীণ আদিবাসীও যায়। মাউরিরা তুয়াতারাকে ভীষণ শ্রদ্ধা করে। তারা মনে করে এ প্রাণীটি খুব পবিত্র। তাদের পূর্ব পুরুষদের আত্মার সঙ্গে এ প্রাণীর অস্তিত্ব মিশে আছে।
আমিন রহমান নবাব
2:53 AM
গিরগিটি(Lizard)
গুইসাপ
বাংলাদেশে তিন প্রজাতির গুইসাপ দেখা যায়। এগুলো হলো সোনা গুই, কালো গুই ও রামগাদি বা বড় গুই। এদের প্রতিটিই বিপন্ন। কালো গুইসাপ দেশের সর্বত্র দেখা যায়। সোনা গুই পাহাড়ি এলাকায় আর রামগাদির প্রধান আবাস হলো মিঠাপানি ও লোনাপানির সঙ্গম এলাকা, নদীর মোহনা, সুন্দরবন, সেন্ট মার্টিন দ্বীপ থেকে শুরু করে সমগ্র উপকূলীয় অঞ্চল। বসতি সংকোচন ও চামড়ার জন্য ব্যাপক নিধনের কারণে আজ এরা বিপন্নপ্রায়।

বড় গুই বা রামগাদি দেখতে গাঢ় বাদামি বা কালচে, তাতে হলুদ রঙের রিং বিদ্যমান। পা ও নখ লম্বাটে। লেজ চ্যাপ্টা ও শিরযুক্ত। এরা দ্রুত গাছে উঠতে পারে। সাঁতরে খাল-বিল-পুকুর সহজেই পাড়ি দিতে পারে। এদের প্রধান খাদ্য কাঁকড়া, শামুক, ইঁদুর, হাঁস-মুরগির ডিম, পচা-গলা প্রাণীদেহ ও উচ্ছিষ্ট।
*এরা সাধারণত ৭০০ বছর বাচতে পারে।
*পানি পান করে না।
*৪০ দিনে ১ ফোটা পেশাব করে।
* তাদের দাত পড়ে না।কারণ, তাদের দাতের থাকে শুধুমাত্র একটি অংশ।
* তারা নিজেদের বিষ্ঠা খেয়ে থাকে।
*জবেহের পরে অনেক রক্ত ক্ষরণ হয়।
*তাকে আগুনে পোড়ানো বা জবাই করা হলেও এক রাত্র পরিমাণ সময় বেচে থাকতে পারে।
বড় গুই বা রামগাদি দেখতে গাঢ় বাদামি বা কালচে, তাতে হলুদ রঙের রিং বিদ্যমান। পা ও নখ লম্বাটে। লেজ চ্যাপ্টা ও শিরযুক্ত। এরা দ্রুত গাছে উঠতে পারে। সাঁতরে খাল-বিল-পুকুর সহজেই পাড়ি দিতে পারে। এদের প্রধান খাদ্য কাঁকড়া, শামুক, ইঁদুর, হাঁস-মুরগির ডিম, পচা-গলা প্রাণীদেহ ও উচ্ছিষ্ট।
*এরা সাধারণত ৭০০ বছর বাচতে পারে।
*পানি পান করে না।
*৪০ দিনে ১ ফোটা পেশাব করে।
* তাদের দাত পড়ে না।কারণ, তাদের দাতের থাকে শুধুমাত্র একটি অংশ।
* তারা নিজেদের বিষ্ঠা খেয়ে থাকে।
*জবেহের পরে অনেক রক্ত ক্ষরণ হয়।
*তাকে আগুনে পোড়ানো বা জবাই করা হলেও এক রাত্র পরিমাণ সময় বেচে থাকতে পারে।
12:53 PM
গিরগিটি(Lizard)
অস্ট্রেলিয়ান মাউন্ট ডেভিল
অস্ট্রেলিয়ান মাউন্ট ডেভিল নামে এক ধরনের গিরগিটি আছে। এগুলো জীবনেও পানি পান করে না। তাদের পানির প্রয়োজন মেটায় শরীরের চামড়া। আর এদের প্রাণ কৈ মাছের মতো! একবার একটি গিরগিটি ত্রিশ ফুট গভীর বরফের নিচে চাপা পড়েও দীর্ঘদিন দিব্যি বেঁচে ছিল!
1:45 PM
গিরগিটি(Lizard)
কমোডিয়ান ড্রাগন
মোটা, পুরু, চেরা জিভ, চোখে অশুভ, ভয়ানক দৃষ্টি, বড় বড় নখগুলো ধারালো, নয় ফুট লম্বা চকচকে শরীরটা যেন নুড়িপাথরের খোদাই করা। যেন রূপকথার ড্রাগনের জাতভাই। পার্থক্য একটাই- রেগে গেলে এর নাকের ফুটো দিয়ে শুধু আগুনের হলকাটি বেরোয় না! প্রচণ্ড শক্তিশালী এই প্রাণীটিকে একনামে সবাই চেনে কোমোডো দ্বীপের ড্রাগন হিসেবে। আসলে এটি এক জাতের গিরগিটি। তবে পৃথিবীর সবচে’ বড় গিরগিটি, সবচে’ শক্তিশালী এবং সবচে’ হিংস্র। ইন্দোনেশিয়ার কমোডো দ্বীপের এই গিরগিটিরা মানুষের কাছে এখনও এক বিশাল বিস্ময়। এদের বৈজ্ঞানিক নাম ভারানাস কমোডোয়েনিসিস, এক সময় এশিয়া, আফ্রিকা এবং অস্ট্রেলিয়ায় বিশালাকার গিরগিটিগুলোর দেখা মিলতো। তবে এদের মধ্যে সবচে’ খ্যাতি লাভ করেছে ইন্দোনেশিয়ার কোমোডো দ্বীপের গিরগিটিরা। এই বড় আকৃতির গিরগিটিরা গুই সাপ নামে পরিচিত গ্রমাঞ্চলে।
ফসিল বা জীবাশ্ম থেকে পাওয়া সূত্রে জানা যায়, বিশালদেহী এই সরীসৃপদের পঞ্চাশ বা ষাট মিলিয়ন বছর আগে অস্ট্রেলিয়ার বিবর্তন ঘটেছে। ওই সময় কমোডো, রিনৎজা, পাডার বা ফ্লোরেস দ্বীপের একাংশ, যা বর্তমানে এই গিরগিটিদের আবাসস্থল, তার অস্তিত্ব ছিলো না। এই দ্বীপগুলোর সৃষ্টি হয়েছে অগ্নুৎপাত থেকে। এই ড্রাগনরা কী করে উত্তর পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া থেকে ৫০০ মাইল দূরের এই দ্বীপগুলোতে চলে এল, সেটা বিস্ময়করই বটে। কারণ ভারানাস কমোডোয়েনিসিসরা সাঁতারু হিসেবে তেমন দক্ষ নয়, লেসার সুন্ডাসের (ইন্দোনেশিয়ার দ্বীপ) প্রবল ঘূর্ণিস্রোতের বিরুদ্ধে টিকে থাকার রেকর্ড এদের খুবই কম।
তবে ধারণা করা হয়, এই স্রোতই কোমোডো ড্রাগনদের বাঁচিয়ে রেখেছে। কারণ খুব কম জেলেরই বুকের পাটা আছে ওই ভয়ানক স্রোত পার হয়ে দ্বীপে ওঠার। জেলেরা গণহারে দ্বীপে যেতে পারলে ড্রাগনদের ঝাড়বংশ এতোদিনে নিকেশ হয়ে যেত।
১৯১২ সালে লোকে প্রথম কোমোডো দ্বীপের ড্রাগন সম্পর্কে জানতে পারে জাভার বোগের-এর জ্যুলজিক্যাল মিউজিয়ামের পরিচালক, মেজর পি-এ ওয়েনস-এর মাধ্যমে। ওই সময় এই ড্রাগনদের নিয়ে একটি আর্টিকেল লেখেন তিনি। বলা যায়, তারপর থেকে মানুষ প্রাচীন সময়ের এই সরীসৃপ সম্পর্কে সচেতন হয়ে ওঠে এবং তাদের রক্ষার ব্যাপারে উদ্যোগী হয়। শুরুতে তথ্যানুসন্ধানকারীরা কোমোডো এবং তার আশপাশের দ্বীপ থেকে এই প্রজাতিগুলোকে ধরে নিয়ে যেত চিড়িয়াখানার জন্যে। তখন বিশালদেহী গিরগিটিগুলোর শরীরের আকারই তাদের আগ্রহের প্রধান কারণ ছিল, এদের আচার-আচরণ বা প্রকৃতি নিয়ে গবেষণামূলক কার্যক্রম তেমন ছিল না। প্রকৃতিবিদ ডব্লিউ ডগলাস বার্ডেন প্রথম ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক পত্রিকায় এই গিরগিটি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য ছাপেন এবং ‘ড্রাগন’ নামটিও তিনিই প্রথম ব্যবহার করেন।
কোমোডো দ্বীপের ড্রাগনদের টিকে থাকা প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, এদের কোন বিশালদেহী প্রতিদ্বন্দী নেই। এরা যে এতো মোটা, তাজা এবং প্রকাণ্ডদেহী এর কারণ এরা প্রচুর খায়। পঁচা-গলা মাংস তাদের প্রিয় খাদ্য। মৃত ছাগল, বুনো শুয়োর, হরিণ-বা ওয়াটার বাফেলো’র মাংস খেয়েই এরা বেঁচে আছে। তবে মৃত প্রাণী দিয়েই বেশি উদর পূর্তি করে থাকে কোমোডো ড্রাগন, জ্যান্ত প্রাণীর ওপর এদের হামলার ঘটনা ক্বচিৎ ঘটে।
বয়সে তরুণ ড্রাগনরা ভয়ানক ক্ষিপ্রগতি সম্পন্ন, অন্যান্য গিরগিটিদের মতো তারাও গাছ বাইতে পটু। এরও পঁচা-গলা শবদেহ গিয়ে পেট ভরায় তবে খুব পছন্দ করে গেকো, (এক ধরনের টিকটিকি) সাপ এবং পাখির ডিম। প্রাপ্তবয়স্ক ড্রাগন আবার একটু আলসে স্বভাবের, নড়াচড়া করে কম। সুযোগ পেলে তবেই শিকার-টিকার ধরে।
ইন্দোনেশিয়ায় কোমোডো ড্রাগনকে বলা হয় ‘বুয়াজা ডারাট’ বা জমিনের কুমির। এর সুযোগ পেলেই গৃহস্থের পোষা ছাগলের ওপর হামলা চালিয়ে বসে। রিনৎজা দ্বীপের এমন অনেক ছাগলের গায়েই এই আঁচড়ের দাগ আছে, ড্রাগনের থাবা থেকে যারা পালিয়ে বেঁচেছে।
ড্রাগনগুলো এক লাফে বড় জোর পাঁচ ফুট দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে। অবশ্য সাবধানী মানুষ যারা তাদের এদেরকে ভয় পাবার কিছুই নেই। কারণ দৌড়ে ড্রাগনগুলো তাদের সঙ্গে পারবে না। তবে রীসাস বানর (উত্তর ভারতের খুদে বানর) এবং টাট্টু ঘোড়াদের বাগে পেলে খেয়ে ফেলার অবাক করা দৃষ্টান্তও তৈরি করেছে পূর্ণবয়স্ক এই ড্রাগন।
কোমোডো ড্রাগনরা কিন্তু বন্দীদশা মোটেও পছন্দ করে না। তাই তাদের ধরা সম্পূর্ণ নিষেধ বলেই ঘোষণা করেছে ইন্দোনেশিয়ার সরকার। ’৬৮ সালে ইন্দোনেশিয়ার বাইরের চিড়িয়াখানাগুলোতে সাকুল্যে আটটি কোমোডো ড্রাগন ছিলো। এখন সম্ভবত একটিও নেই। ইন্দোনেশিয়ার সরকার রিনৎজা দ্বীপকে অভয়ারণ্য ঘোষণা করেছে। ওখান থেকে ড্রাগন ধরা বা বাইরে রপ্তানি করা এখন সম্পূর্ণ নিষেধ।
কোমোডো ড্রাগনের গড় আয়ু বিশ বছর। তবে এদের প্রজনন প্রক্রিয়া এখনও অজ্ঞাত। সাধারণত আট থেকে নয় ফুট লম্বা হলেও ১৯৩৩ সালে সেণ্ড লুই চিড়িয়াখানায় ১০ ফুট ২ ইঞ্চি লম্বা একটি ড্রাগনের কথা জানা যায়। ওজন ছিল ৩৬৫ পাউণ্ড। সম্ভবত সেটাই এ যাবৎকালের সবচে বড় গিরিগিটি।
কোমোডো ড্রাগন আবার বেশ পেটুক স্বভাবের। এদের খাওয়ার দৃশ্যটিও দেখার মতো। বলা হয়, লম্বা চেরা জিভ দিয়ে এরা খাবারের গন্ধ শুঁকে নেয়। এদের দাঁত করাতের মত ধারালো, শক্তিশালী চোয়ালে চেপে ধরে শিকারের গোটা শরীর ছিন্নভিন্ন করে ফেলে। হাড়, চুল, নাড়িভুঁড়ি সবই খেয়ে ফেলে, কিছুই বাদ দেয় না।
ম্যানহাটন শহরের দশগুণ বড়, ইন্দোনেশিয়ার কোমোডো দ্বীপ সমুদ্র সমতল থেকে ২০০০ ফুট উঁচুতে, লম্বায় ২২ মাইল। চওড়ায় ১২ মাইল। আকৃতি অনেকটা কুড়ালের মতো। এ দ্বীপে রয়েছে ঘাসে মোড়া ঢাল সেখানে হাজারো গোখরো, ভাইপার, বিষাক্ত বিছে আর মাকড়সার বাস। গোটা দ্বীপে ছড়িয়ে আছে বিশাল সব আগ্নেয়গিরি। পাহাড়ের নিচে, সাগরে সবসময় খিদে নিয়ে ঘুরে বেড়ায় হিংস্র হাঙর। আছে বিরাট সামুদ্রিক সাপ, যেগুলোর কামড় কোবরার মতই ভয়ানক। সব মিলে অত্যন্ত দুর্গম দ্বীপ কোমোডো। এ দ্বীপের রাজা হলো এই ড্রাগন। বিশাল দেহের কারণে এরা কাউকেই পরোয়া করে না। রাজার হালে ঘুরে বেড়ায়। মাটি খুঁড়ে গর্ত করে। সেখানে গ্রীষ্ম এবং বর্ষা ঋতুটা কাটিয়ে দেয়। বৃষ্টি বা বন্যার সময় গর্ত পানিতে ভরে গেলে আরও উঁচু জায়গা বেছে নেয় আস্তানার জন্যে। এ সময় সাধারণত পাহাড়ের গুহাই তাদের সবচে পছন্দ। আর খরা হলে গুহা ছেড়ে নদী তীরের গর্তে গিয়ে ঢোকে একটু আরাম পাবার আশায়।
বর্তমানে শুধু ইন্দোনেশিয়ার চারটি দ্বীপেই এই সরীসৃপদের বাস। সংখ্যায় হাজারের বেশি হবে না। বিরল এই প্রাণীগুলোর অস্তিত্ব এখন সাংঘাতিক বিপন্ন। চোরা শিকারীরা এসব দ্বীপের হরিণ শিকার করে ড্রাগনদের তীব্র খাদ্য সংকট সৃষ্টি করছে। মানুষের গৃহপালিত ছাগল দ্বীপের ঘাস খেয়ে সাবাড় করছে। ঘাস না থাকলে হরিণ এবং ওয়াটার বাফেলো’রা খাবে কি? তারা তখন দ্বীপ ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হবে। তখন খাদ্যভাবে ধুঁকে ধুঁকে মরতে হবে ওদের। কাজেই প্রাগৈতিহাসিক যুগের এই জীবদের বাঁচা-মরা বর্তমানে নির্ভর করছে মানুষের ওপরেই।
ফসিল বা জীবাশ্ম থেকে পাওয়া সূত্রে জানা যায়, বিশালদেহী এই সরীসৃপদের পঞ্চাশ বা ষাট মিলিয়ন বছর আগে অস্ট্রেলিয়ার বিবর্তন ঘটেছে। ওই সময় কমোডো, রিনৎজা, পাডার বা ফ্লোরেস দ্বীপের একাংশ, যা বর্তমানে এই গিরগিটিদের আবাসস্থল, তার অস্তিত্ব ছিলো না। এই দ্বীপগুলোর সৃষ্টি হয়েছে অগ্নুৎপাত থেকে। এই ড্রাগনরা কী করে উত্তর পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া থেকে ৫০০ মাইল দূরের এই দ্বীপগুলোতে চলে এল, সেটা বিস্ময়করই বটে। কারণ ভারানাস কমোডোয়েনিসিসরা সাঁতারু হিসেবে তেমন দক্ষ নয়, লেসার সুন্ডাসের (ইন্দোনেশিয়ার দ্বীপ) প্রবল ঘূর্ণিস্রোতের বিরুদ্ধে টিকে থাকার রেকর্ড এদের খুবই কম।
তবে ধারণা করা হয়, এই স্রোতই কোমোডো ড্রাগনদের বাঁচিয়ে রেখেছে। কারণ খুব কম জেলেরই বুকের পাটা আছে ওই ভয়ানক স্রোত পার হয়ে দ্বীপে ওঠার। জেলেরা গণহারে দ্বীপে যেতে পারলে ড্রাগনদের ঝাড়বংশ এতোদিনে নিকেশ হয়ে যেত।
১৯১২ সালে লোকে প্রথম কোমোডো দ্বীপের ড্রাগন সম্পর্কে জানতে পারে জাভার বোগের-এর জ্যুলজিক্যাল মিউজিয়ামের পরিচালক, মেজর পি-এ ওয়েনস-এর মাধ্যমে। ওই সময় এই ড্রাগনদের নিয়ে একটি আর্টিকেল লেখেন তিনি। বলা যায়, তারপর থেকে মানুষ প্রাচীন সময়ের এই সরীসৃপ সম্পর্কে সচেতন হয়ে ওঠে এবং তাদের রক্ষার ব্যাপারে উদ্যোগী হয়। শুরুতে তথ্যানুসন্ধানকারীরা কোমোডো এবং তার আশপাশের দ্বীপ থেকে এই প্রজাতিগুলোকে ধরে নিয়ে যেত চিড়িয়াখানার জন্যে। তখন বিশালদেহী গিরগিটিগুলোর শরীরের আকারই তাদের আগ্রহের প্রধান কারণ ছিল, এদের আচার-আচরণ বা প্রকৃতি নিয়ে গবেষণামূলক কার্যক্রম তেমন ছিল না। প্রকৃতিবিদ ডব্লিউ ডগলাস বার্ডেন প্রথম ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক পত্রিকায় এই গিরগিটি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য ছাপেন এবং ‘ড্রাগন’ নামটিও তিনিই প্রথম ব্যবহার করেন।
কোমোডো দ্বীপের ড্রাগনদের টিকে থাকা প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, এদের কোন বিশালদেহী প্রতিদ্বন্দী নেই। এরা যে এতো মোটা, তাজা এবং প্রকাণ্ডদেহী এর কারণ এরা প্রচুর খায়। পঁচা-গলা মাংস তাদের প্রিয় খাদ্য। মৃত ছাগল, বুনো শুয়োর, হরিণ-বা ওয়াটার বাফেলো’র মাংস খেয়েই এরা বেঁচে আছে। তবে মৃত প্রাণী দিয়েই বেশি উদর পূর্তি করে থাকে কোমোডো ড্রাগন, জ্যান্ত প্রাণীর ওপর এদের হামলার ঘটনা ক্বচিৎ ঘটে।
বয়সে তরুণ ড্রাগনরা ভয়ানক ক্ষিপ্রগতি সম্পন্ন, অন্যান্য গিরগিটিদের মতো তারাও গাছ বাইতে পটু। এরও পঁচা-গলা শবদেহ গিয়ে পেট ভরায় তবে খুব পছন্দ করে গেকো, (এক ধরনের টিকটিকি) সাপ এবং পাখির ডিম। প্রাপ্তবয়স্ক ড্রাগন আবার একটু আলসে স্বভাবের, নড়াচড়া করে কম। সুযোগ পেলে তবেই শিকার-টিকার ধরে।
ইন্দোনেশিয়ায় কোমোডো ড্রাগনকে বলা হয় ‘বুয়াজা ডারাট’ বা জমিনের কুমির। এর সুযোগ পেলেই গৃহস্থের পোষা ছাগলের ওপর হামলা চালিয়ে বসে। রিনৎজা দ্বীপের এমন অনেক ছাগলের গায়েই এই আঁচড়ের দাগ আছে, ড্রাগনের থাবা থেকে যারা পালিয়ে বেঁচেছে।
ড্রাগনগুলো এক লাফে বড় জোর পাঁচ ফুট দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে। অবশ্য সাবধানী মানুষ যারা তাদের এদেরকে ভয় পাবার কিছুই নেই। কারণ দৌড়ে ড্রাগনগুলো তাদের সঙ্গে পারবে না। তবে রীসাস বানর (উত্তর ভারতের খুদে বানর) এবং টাট্টু ঘোড়াদের বাগে পেলে খেয়ে ফেলার অবাক করা দৃষ্টান্তও তৈরি করেছে পূর্ণবয়স্ক এই ড্রাগন।
কোমোডো ড্রাগনরা কিন্তু বন্দীদশা মোটেও পছন্দ করে না। তাই তাদের ধরা সম্পূর্ণ নিষেধ বলেই ঘোষণা করেছে ইন্দোনেশিয়ার সরকার। ’৬৮ সালে ইন্দোনেশিয়ার বাইরের চিড়িয়াখানাগুলোতে সাকুল্যে আটটি কোমোডো ড্রাগন ছিলো। এখন সম্ভবত একটিও নেই। ইন্দোনেশিয়ার সরকার রিনৎজা দ্বীপকে অভয়ারণ্য ঘোষণা করেছে। ওখান থেকে ড্রাগন ধরা বা বাইরে রপ্তানি করা এখন সম্পূর্ণ নিষেধ।
কোমোডো ড্রাগনের গড় আয়ু বিশ বছর। তবে এদের প্রজনন প্রক্রিয়া এখনও অজ্ঞাত। সাধারণত আট থেকে নয় ফুট লম্বা হলেও ১৯৩৩ সালে সেণ্ড লুই চিড়িয়াখানায় ১০ ফুট ২ ইঞ্চি লম্বা একটি ড্রাগনের কথা জানা যায়। ওজন ছিল ৩৬৫ পাউণ্ড। সম্ভবত সেটাই এ যাবৎকালের সবচে বড় গিরিগিটি।
কোমোডো ড্রাগন আবার বেশ পেটুক স্বভাবের। এদের খাওয়ার দৃশ্যটিও দেখার মতো। বলা হয়, লম্বা চেরা জিভ দিয়ে এরা খাবারের গন্ধ শুঁকে নেয়। এদের দাঁত করাতের মত ধারালো, শক্তিশালী চোয়ালে চেপে ধরে শিকারের গোটা শরীর ছিন্নভিন্ন করে ফেলে। হাড়, চুল, নাড়িভুঁড়ি সবই খেয়ে ফেলে, কিছুই বাদ দেয় না।
ম্যানহাটন শহরের দশগুণ বড়, ইন্দোনেশিয়ার কোমোডো দ্বীপ সমুদ্র সমতল থেকে ২০০০ ফুট উঁচুতে, লম্বায় ২২ মাইল। চওড়ায় ১২ মাইল। আকৃতি অনেকটা কুড়ালের মতো। এ দ্বীপে রয়েছে ঘাসে মোড়া ঢাল সেখানে হাজারো গোখরো, ভাইপার, বিষাক্ত বিছে আর মাকড়সার বাস। গোটা দ্বীপে ছড়িয়ে আছে বিশাল সব আগ্নেয়গিরি। পাহাড়ের নিচে, সাগরে সবসময় খিদে নিয়ে ঘুরে বেড়ায় হিংস্র হাঙর। আছে বিরাট সামুদ্রিক সাপ, যেগুলোর কামড় কোবরার মতই ভয়ানক। সব মিলে অত্যন্ত দুর্গম দ্বীপ কোমোডো। এ দ্বীপের রাজা হলো এই ড্রাগন। বিশাল দেহের কারণে এরা কাউকেই পরোয়া করে না। রাজার হালে ঘুরে বেড়ায়। মাটি খুঁড়ে গর্ত করে। সেখানে গ্রীষ্ম এবং বর্ষা ঋতুটা কাটিয়ে দেয়। বৃষ্টি বা বন্যার সময় গর্ত পানিতে ভরে গেলে আরও উঁচু জায়গা বেছে নেয় আস্তানার জন্যে। এ সময় সাধারণত পাহাড়ের গুহাই তাদের সবচে পছন্দ। আর খরা হলে গুহা ছেড়ে নদী তীরের গর্তে গিয়ে ঢোকে একটু আরাম পাবার আশায়।
বর্তমানে শুধু ইন্দোনেশিয়ার চারটি দ্বীপেই এই সরীসৃপদের বাস। সংখ্যায় হাজারের বেশি হবে না। বিরল এই প্রাণীগুলোর অস্তিত্ব এখন সাংঘাতিক বিপন্ন। চোরা শিকারীরা এসব দ্বীপের হরিণ শিকার করে ড্রাগনদের তীব্র খাদ্য সংকট সৃষ্টি করছে। মানুষের গৃহপালিত ছাগল দ্বীপের ঘাস খেয়ে সাবাড় করছে। ঘাস না থাকলে হরিণ এবং ওয়াটার বাফেলো’রা খাবে কি? তারা তখন দ্বীপ ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হবে। তখন খাদ্যভাবে ধুঁকে ধুঁকে মরতে হবে ওদের। কাজেই প্রাগৈতিহাসিক যুগের এই জীবদের বাঁচা-মরা বর্তমানে নির্ভর করছে মানুষের ওপরেই।
2:08 PM
গিরগিটি(Lizard)
Subscribe to:
Posts
(
Atom
)














