Showing posts with label হরিণ(Deer). Show all posts
Showing posts with label হরিণ(Deer). Show all posts
মায়া হরিণ
মায়া-মাখা চোখ দুটোর জন্যই হয়ত প্রকৃতি প্রেমী মানুষরা এর নাম দিয়েছিল মায়া হরিণ । আমাদের বাংলাদেশের যে কটি হরিণ পাওয়া যায় তার মধ্যে মায়া হরিণ আকারে ছোট । শরীর ৯০ সেমি. চকচকে মসৃণ লালচে লোমে আবৃত । লেজ ছোট ১৭ সেমি. কালচে রঙ্গা । মায়া হরিণের কপাল হতে শিং পর্যন্ত কালচে V আকৃতির রেখা আছে । পুরুষরে ছোট আকারের শিং হয় স্ত্রীর শিং হয় না । এরা পাতা , ঘাস মাঝে মাঝে গাছের বাকল খায় । সঙ্গীকে খুঁজবার জন্য বা বিপদের আশঙ্কা করলে অনেকটা কুকুরের-মত করে থেমে থেমে ডেকে ওঠে । সমতল ভূমির বন, পাহাড়ি বন এমন কি নোনাপানির বাদা বনেও মায়া হরিণ থাকতে পারে।
বাংলাদেশের সংরক্ষিত বনাঞ্চল গুলোতে মায়া হরিণের বাস। সিলেট অঞ্চলের লাউয়াছড়া, সাতছড়ি চট্টগ্রামের পাহাড়ি বনে এবং সুন্দরবনেও মায়া হরিণ আছে। সন্ধ্যা ও ভোররাতের দিকে এদের ডাক শোনা যায় বেশি। আমাদের সব-গুল বনই লোক বসতির গাঘেসে। ফলে কখনোবা ফাঁদ পেতে কখনোবা হরিণ বনের বাহিরে চলে এলে তার ফিরে যাওয়া প্রায় অনিশ্চিত । উৎসুক মানুষের হাতে মারা পরে মায়া হরিণ । আমরা প্রায়ই সংবাদ পত্রগুলোতে দেখে থাকি এই খবর । আমাদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের ফলে বন দিন দিন হচ্ছে বিলীন । ফলে বাসস্থানের অভাবে ও অবৈধ শিকারের ফলে মায়া হরিণ অতি বিপন্নের তালিকায় । এভাবে হয়ত দিনে দিনে হারিয়ে যাবে মায়াময়ী চোখের করুন চাহনি ।
বাংলাদেশের সংরক্ষিত বনাঞ্চল গুলোতে মায়া হরিণের বাস। সিলেট অঞ্চলের লাউয়াছড়া, সাতছড়ি চট্টগ্রামের পাহাড়ি বনে এবং সুন্দরবনেও মায়া হরিণ আছে। সন্ধ্যা ও ভোররাতের দিকে এদের ডাক শোনা যায় বেশি। আমাদের সব-গুল বনই লোক বসতির গাঘেসে। ফলে কখনোবা ফাঁদ পেতে কখনোবা হরিণ বনের বাহিরে চলে এলে তার ফিরে যাওয়া প্রায় অনিশ্চিত । উৎসুক মানুষের হাতে মারা পরে মায়া হরিণ । আমরা প্রায়ই সংবাদ পত্রগুলোতে দেখে থাকি এই খবর । আমাদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের ফলে বন দিন দিন হচ্ছে বিলীন । ফলে বাসস্থানের অভাবে ও অবৈধ শিকারের ফলে মায়া হরিণ অতি বিপন্নের তালিকায় । এভাবে হয়ত দিনে দিনে হারিয়ে যাবে মায়াময়ী চোখের করুন চাহনি ।
8:32 AM
হরিণ(Deer)
কস্তুরী মৃগ
বিশেষ জাতের পুরুষ হরিণের তলপেটে জন্মানো থলের মধ্যে থাকা এক ধরনের সুগন্ধি দ্রব্যকেই কস্তুরী বলে। এই হরিণের নাম কস্তুরী মৃগ। সাধারণত পাহাড়ি এলাকার হরিণের মধ্যেই কস্তুরী পাওয়া যায়।
12:16 PM
হরিণ(Deer)
মুখোশওয়ালা হরিণ
বাদামি, হলদে ও কালো রঙের সমন্বয়ে এই প্রজাতির হরিণের গায়ের রঙ। এরা লম্বায় ৮৬ থেকে ১শ সেন্টিমিটার, উচ্চতা : ৫১ থেকে ৫৩ সেন্টিমিটার, ওজন : ১১ থেকে ১৮ কেজি এবং লেজের দৈর্ঘ্য হয় ৪ থেকে ৬ সেন্টিমিটার। এরা হিমালয়ী মুশোশওয়াল হরিণ নামেও পরিচিত। এদের কণ্ঠ থেকে থুতনি পর্যন্ত হলুদাভ পোচ আছে বলে এদেরকে মুখোশওয়ালা হরিণ (Musk deer) বলা হয়। এদের কোনও শিং নেই। তিব্বতের বরফঢাকা পাহাড়ি অঞ্চলে এদের বেশি দেখা যায়। বৈজ্ঞানিক নাম Moschus leucogaster।
1:38 AM
হরিণ(Deer)
সাম্বার
বাংলাদেশে যে কয় জাতের হরিণ পাওয়া যায় তার মধ্যে আকৃতিতে সবচেয়ে বড় সাম্বার(Sambar)। এক সময় পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম ও সিলেটের জঙ্গল এবং ময়মনসিংহ আর বৃহত্তর সিলেটের হাওড় এদের প্রচুর দেখা গেলেও শিকারিদের নির্বিচারে হত্যার কারণে অনেক জায়গা থেকেই বিলুপ্ত হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের কাপ্তাইসহ আরও কিছু বন এবং চট্টগ্রাম ও সিলেটের দু-একটি বনেও সম্ভবত অল্পসংখ্যায় হলেও টিকে আছে সাম্বার। এর দ্বীপদ নাম Cervus unicolor।
এরা লম্বায় ১০২ থেকে ১৬০ সেমি এবং ওজন প্রায় ১৬২-১২০ কেজি হয়।
4:27 PM
হরিণ(Deer)
Subscribe to:
Posts
(
Atom
)




